কলেজে নিয়মবহির্ভূতভাবে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে চাঁদপুর-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী শামছুল হক ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বৃহস্পতিবার দুদকের সহকারী পরিচালক মাহতাব উদ্দিন বাদী হয়ে কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা দুটি করেন।
মামলার আসামিরা হলেন, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোহেববুল্লাহ খান, কলেজ পরিচালনা পর্যদের সভাপতি ও সাবেক এমপি প্রকৌশলী শামছুল হক ভূঁইয়া, গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজের সাবেক প্রভাষক বেলায়েত হোসেন খান।
এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা একে অপরের সহযোগিতায় প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে জাল নথি সৃষ্টির মাধ্যমে মোহাম্মদ মোহেববুল্লাহ খানকে গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজে প্রভাষক হিসেবে স্থায়ীপদে ১৯৯৯ সালের ২১ মার্চ নিয়োগ দেয়। ওই তারিখ থেকে ২০১৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বেতন-ভাতা বাবদ সরকারি মোট ১ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ১৭২ টাকা তুলে নিয়ে আত্মসাৎ করা হয়।
অপর মামলায় শামছুল হক ভূঁইয়া ও বেলায়েত হোসেন খান ও গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজের দর্শনশাস্ত্রের প্রভাষক কানিজ ফাতেমাকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা একে অপরের সহযোগিতায় কানিজ ফাতেমা প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজে চাকরির আবেদন করে। তাকে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অবৈধভাবে ‘প্রভাষক’ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৯৯৯ সালর ১ জুলাই থেকে ২০১৯ সালের ১০ জুন পর্যন্ত তার বেতন-ভাতা বাবদ সরকারি মোট ৩১ লাখ ৭২ হাজার ৯০৫ টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
