আফগান সরকার-তালেবান ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনা শুরু

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:০১ পিএম

আফগানিস্তানের সরকার ও তালেবানদের মধ্যে প্রায় দুই দশক ধরে চলা যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে শনিবার কাতারের দোহায় ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে এ আলোচনা থেকে দ্রুত উল্লেখযোগ্য ফলাফল নাও আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

শান্তি আলোচনার শুরুতে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। তিনি বলেন, এই আলোচনায় সফল হতে কঠোর পরিশ্রম এবং বড় ধরনের ত্যাগ প্রয়োজন।

গত ফেব্রুয়ারিতে সম্মত হওয়া বিতর্কিত বন্দি বিনিময় চুক্তির বিষয়ে তিক্ত অসম্মতির কারণে পরিকল্পিত সময়ের চেয়ে ছয় মাস পর যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত এ আলোচনা শুরু হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১ ভয়াবহ বিমান হামলার ১৯তম বার্ষিকীর একদিন পর আফগান শান্তি আলোচনা শুরু হলো। ওই হামলার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে হস্তান্তর করতে রাজি না হওয়ায় তালেবান সরকারকে উৎখাতে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে অভিযান চালায়।

নভেম্বরে পুনর্নির্বাচনে ভোটের লড়াই নামা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার দীর্ঘতম যুদ্ধের অবসানে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন এবং তিনি চান আগামী বছর নাগাদ সকল বিদেশি সৈন্য আফগানিস্তান ত্যাগ করুক।

আফগানিস্তানের ব্যাপারে একটি পরিপূর্ণ শান্তি চুক্তি করতে কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে। আর এটি নির্ভর করবে দেশটির প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলোর ইচ্ছার ওপর।

এক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির সরকারকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানানো তালেবান একটি ইসলামিক ‘আমিরাতের’ ব্যাপারে আফগানিস্তানকে ঢেলে সাজানোর ব্যাপারে চাপ দেবে।

অন্যদিকে গনির প্রশাসন পশ্চিমা সমর্থিত সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্রের স্থিতাবস্থা বজায় রাখা চেষ্টা চালাবে। পশ্চিমা ধাঁচের এ সংবিধানে নারীদের ব্যাপক স্বাধীনতা দেওয়াসহ আরও অনেক অধিকারের কথা সন্নিবেশিত করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত