নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এখন চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মাঝে সর্দি, কাশি ও জ¦রাক্রান্ত রোগীর সংখ্যাই বেশি। উপজেলায় সর্দি, কাশি ও জ্বরের রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। জ্বরের রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সাধারণ মানুষের মাঝে উদাসীনতা লক্ষ করা গেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৫ দিনে উপজেলায় করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার হার অনেক কমে গেছে।
সরজমিনে সর্দি, কাশি, জ্বরসহ নানা রোগ নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মাঝে কোনো ধরনের সচেনতা লক্ষ করা যায়নি। রোগীদের সামাজিক দূরত্ব উপেক্ষা করে, গাদাগাদি করে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। অনেকের মুখে ছিল না মাস্ক। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের বেশির ভাগই সর্দি, কাশি ও জ্বরে আক্রান্ত। কারও মধ্যেই করোনাভীতি লক্ষ করা যায়নি।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জ্বরে আক্রান্তদের বেশির ভাগই করোনার উপসর্গ নিয়ে চলাফেরা করছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ফয়সাল আহমেদ জ্বর, সর্দি, কাশির রোগী বেড়ে যাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বড়দের পাশাপাশি ছোটরাও জ¦রে আক্রান্ত হচ্ছে। তিনি আগের থেকে করোনার নমুনা পরীক্ষার হার অনেক কমেছে বলেও স্বীকার করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুমন কুমার বণিক জ¦রের রোগী বৃদ্ধি পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, মানুষের মাঝে করোনার সচেতনতা কমে গেছে।
