বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় প্রায় ৩০ হাজার গ্রাহক ৪৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন ছিল। গত বুধবার দুপুর পৌনে ১টায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর গত শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে বিদ্যুৎ আসে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন (বিউবো) নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ উপজেলায় বিদ্যুতের সাবস্টেশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। বিদ্যুৎ না থাকায় এ সময় গ্রাহকরা পানির সংকটে পড়েন। পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট-বড় কারখানার উৎপাদন ও ইন্টারনেটের সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
সরদারপাড়া মহল্লার গৃহিণী রুমা বেগম বলেন, গত দুদিন টানা বিদ্যুৎ না থাকায় বাসায় পানির সংকটে পড়তে হয়। রেফ্রিজারেটরে রাখা খাবার নষ্ট হয়ে গেছে।
উপজেলা বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফরিদুল হাসান বলেন, দুপচাঁচিয়া সাবস্টেশনের লাইনে কাজের জন্য প্রতি সপ্তাহে দুদিন করে বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু গত বুধবার বগুড়া গ্রিডের লাইনের আন্ডারগ্রাউন্ড কেব্্ল পুড়ে গিয়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে পড়তে হয়েছিল। রাজশাহী থেকে বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ও টেকনিশিয়ান এনে কেব্্ল মেরামত করতে গিয়ে উপজেলার ৩০ হাজার গ্রাহক দুদিন বিদ্যুৎহীন ছিল।
