স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ‘মালেক’ সিন্ডিকেটের হুমকি

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৩৬ এএম

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শতকোটিপতি ড্রাইভার মালেকের কীর্তি প্রকাশ্যে আসার পর জানা যাচ্ছে এমন আরও ‘মালেকে’র খবর। এই দুর্নীতির চক্র নিয়ে গত ২৪ সেপ্টেম্বর দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর ‘মালেক’ সিন্ডিকেটের একটি অংশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কয়েক কর্মকর্তা এ অভিযোগ করেন।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মালেক সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ইয়াসিন একেএম আজিজুল হক, কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক শাহনেওয়াজ মিয়া, শফিকুল ইসলাম, বাজেট শাখার উচ্চমান সহকারী আতিকুল ইসলাম ও কমিউনিটি ক্লিনিক শাখার প্রধান সহকারী আনোয়ার হোসেনের বিভিন্ন অপকর্মের সংবাদ দৈনিক দেশ রূপান্তরসহ একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রকাশিত হয়। চক্রটি নিজেদের রক্ষায় বিভিন্ন স্থানে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন নিরপরাধ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুমকি দিয়ে আসছে।

তারা আরও বলেন, এই চক্রের অন্যতম সদস্য শাহনেওয়াজ মিয়া প্রশাসনিক শাখায় দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ধরনের তদবির বাণিজ্য করে আসছে। মোটা অঙ্কের টাকা ব্যতীত তার হাত থেকে কোনো ফাইল সরে না। দুর্নীতি দমন কমিশনের সুপারিশে ইতোপূর্বে অভিযুক্ত ২৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন স্থানে বদলি করে। লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে ওই ২৩ জনকে শাহনেওয়াজ মিয়া আবারও পূর্বের জায়গায় ফিরিয়ে আনেন। কারণ তারা সবাই অফিস সহকারী কল্যাণ সমিতির সদস্য।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অফিস সহকারী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব প্রশাসনিক কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসাইন ও সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহনেওয়াজ মিয়া বিভিন্ন জেলায় ভ্রমণ করে নিরীহ কর্মচারীদের নিকট থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। দেলোয়ার হোসেনের অপকর্মের জন্য তাকে ইতোপূর্বে বিভিন্ন স্থানে বদলি করা হয়েছে। কিন্তু কিছুতেই তাকে দমানো যাচ্ছে না। এখন আইন প্রয়োগকারী বিভিন্ন সংস্থা এদের সম্পদের খোঁজ নিতে মাঠে নেমেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত