ঢাকা-৫ উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদের গণসংযোগে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাজী মনিরুল ইসলাম মনুর সমর্থকেরা বাধা দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার দুপুর ১১টায় শারুলিয়া এলাকায় সালাহউদ্দিন আহমেদ তার নির্বাচনী গণসংযোগ শুরু করার পূর্ব মুহূর্তে সড়ক অবরোধ করে বাধার সৃষ্টি করেন আওমীলীগ প্রার্থীর সমর্থকরা।
এ সময় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সমর্থকরা ‘বিএনপির দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘বিএনপির দালালেরা মাঠ ছেড়ে পালা’, ‘যেখানেই বিএনপি সেখানেই প্রতিরোধ’, ‘ঢাকা-৫ এর প্রার্থী একটাই, মনু ভাই মনু ভাই’ এ ধরনের উসকানিমূলক স্লোগান দেয়।
পরে সালাহউদ্দিনের সমর্থকরা স্থান ত্যাগ করে মাতুয়াইল মা ও শিশু হাসপাতালের সামনে এসে গণসংযোগ শুরু করেন। গণসংযোগটি শনির আখড়া চব্বিশ ফিট এলাকায় এসে শেষ হয়।
এ সময় ধানের শীষের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, জনগণের সাড়া দেখে আওয়ামী লীগের প্রার্থী দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এ কারণে তিনি সন্ত্রাসী পথ বেছে নিয়েছেন। আমাদের শান্তিপূর্ণ প্রচারে বাধা দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যদি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, তাহলে কারচুপি নয়, জনগণের রায়ের ওপর তার আস্থা রাখা উচিত।
সালাহউদ্দিন বলেন, দেশে নির্বাচন হয় কিন্তু ভোটের অধিকার নেই। জনগণকে এভাবে বেশি অধিকার হারা করে রাখা সম্ভব হবে না। গণজাগরণ হবেই। গণতন্ত্রও ফিরে আসবে।
তিনি বলেন, কোন অপচেষ্টা করে আমাকে থামানো যাবে না। আমি জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে মানুষের দ্বারে দ্বারে যাবে কেউ বাধা দিয়ে আটকাতে পারবে না। আমি এই এলাকায় দীর্ঘ সময় অনেক উন্নয়ন করেছি, যা এলাকার মানুষ জানে এবং তারা আমাকে চিনেন। তাই উন্নয়নের জন্য তারা আমাকে ভোট দেবেন।
এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন কমিশনকে বারবার আমার অভিযোগগুলো জানিয়েছি কিন্তু তারা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ রবিন, সহসাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন নান্টু, প্রচার সম্পাদক আব্দুল হাই পল্লব, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম বাদল, যাত্রাবাড়ি থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিকসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী।
