মাঠের ক্রিকেটে তেমন ঝাঁজ বা উত্তাপের দেখা মেলেনি এখনো। তবে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ অনেক কিছুই দিয়ে যাচ্ছে দেশের ক্রিকেটকে। সবচেয়ে বড় যে, এই টুর্নামেন্ট দিয়েই করোনা ধাক্কা কাটিয়ে মাঠে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট ফিরেছে।
আসরে নিজেদের মধ্যে তিন দলে ভাগ হয়ে খেলছেন জাতীয় দল, এইচপি ও অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটাররা। ফলে দেশের সিনিয়র ক্রিকেটারদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করতে পারছেন তরুণরা। যুব বিশ্বকাপজয়ী পেসার শরিফুল ইসলামের কাছে তাই এই আসর খুবই ‘উপভোগ্য লাগছে’।
১৯ বছর বয়সী বাঁহাতি পেসার শরিফুল খেলছেন তামিম একাদশের হয়ে। দীর্ঘদেহী এই পেসার এখন পর্যন্ত দুই ম্যাচ খেলেছেন। প্রথম ম্যাচটা ভালো করতে না পারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে নাজমুল একাদশের বিপক্ষে নেন ৪ উইকেট। পেসারদের আলো ছড়ানো প্রেসিডেন্টস কাপে তাই শরিফুলও আছেন স্পট লাইটে।
দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় এক পেসার শরিফুল। যুব বিশ্বকাপের আগে থেকেই তিনি আছেন বিসিবির পরিকল্পনায়। তাই তো যুব বিশ্বকাপের আগেই প্রথম শ্রেণির ম্যাচ, লিস্ট এ ম্যাচ খেলেছেন। যুব বিশ্বকাপ খেলার আগের বছরই বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে খেলেছেন দেশের মাটিতে। বিসিবি একাদশের হয়ে খেলেছেন আয়ারল্যান্ডেও। ইমার্জিং দলের হয়েও খেলেছেন দেশে ও দেশের বাইরে।
বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে এই শরিফুল নিজের বড় প্রাপ্তি মানছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলতে ও থাকতে পারাকে।
বিসিবি প্রেরিত ভিডিও বার্তায় বলছিলেন, ‘আমি তামিম ভাইয়ের দলে খেলছি। তিনি এখন জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক। অনেক সময়ই তিনি অনেক কিছু বলেন। নেটে বোলিংয়ের সময়, ড্রেসিং রুমেও তামিম ভাই অনেক সময় ব্যাটসম্যানদের দুর্বলতাসহ নানা কিছু বলেন…।’
বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজের সঙ্গে একদলে থাকতে পারার অনুভূতি তার আলাদা, ‘মোস্তাফিজ ভাই আছেন আমাদের দলে। আমি সবসময় উনাকে অনেক প্রশ্ন করি। উনি সুন্দরভাবে সব শেখান-বোঝান।’
শরিফুল আরো বলেন, ‘সাইফউদ্দিন ভাই আছে। উনাকেও বলি, বিপিএলে বা জাতীয় দলে খেলে উনি জানেন যে কোন ব্যাটসম্যান কোথায় বেশির ভাগ দুর্বল। সবার সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করে ভালো লাগছে। কিছু জিজ্ঞেস করলেই সবাই দারুণভাবে বুঝিয়ে দেয়। এটা খুব ভালো লাগছে, উপভোগ করছি।’
