জীবনের শেষ দিনগুলোতে অনেকটা নিঃসঙ্গ থাকা ম্যারাডোনা ৬০তম জন্মদিনে সন্তানদের দেখার জন্য হাহাকার করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত তাদের না দেখার আক্ষেপ নিয়েই পৃথিবী ছাড়েন তিনি।
আর্জেন্টাইন সংবাদপত্র ‘ক্ল্যারিন’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জীবনের শেষ দিকটায় বড় হতাশায় ভুগতেন ম্যারাডোনা। কিংবদন্তির মানসিক অবস্থা এতটাই খারাপ দিকে চলে গিয়েছিল যে, তার মনোবিদ ঠিক করেছিলেন, কিউবা পাঠাতে। যে দেশ অসম্ভব ভালোবাসতেন তিনি। যে দেশে থাকতেন তার বন্ধু ফিদেল কাস্ত্রো।
ম্যারাডোনাকে কিউবা পাঠানোর বন্দোবস্ত প্রায় হয়ে গিয়েছিল। ফিদেল কাস্ত্রোর ছেলে টনিও তাকে নিতে চেয়েছিলেন, যেন শান্তিতে সুস্থ হতে পারেন। কিন্তু কিউবা যাওয়া আর হয়নি।
আর্জেন্টাইন মিডিয়া বলছে, নিজের ৬০তম জন্মদিনে দিয়েগো চেয়েছিলেন তার সব সন্তানরা একত্রিত হোক। কিন্তু সেটা হয়নি।
আর্জেন্টিনার একাধিক গণমাধ্যমের খবরে এভাবে লেখা হয়েছে, ‘‘তার সন্তানরা দায়িত্ব নিতেন আসলে উপর উপর। কেউ দায়িত্ববোধের গভীরে ঢুকতেন না। নইলে কেনই বা আর শেষ জন্মদিনে কেঁদে বলবেন, আজ, আমি আমার পরিবারকে খুব মিস করছি। মা, তুমি নিশ্চয়ই উপর থেকে সব দেখছো। তুমি নিশ্চয়ই আমাকে নিয়ে গর্বিত।”’
জীবনের শেষ দিকে নিজের আইনজীবীর শ্যালকের সঙ্গে থাকতেন ম্যারাডোনা। ছিলেন তার অতি বিশ্বাসী রাঁধুনি, মোনোয়া।
ম্যারাডোনা মাঝে মাঝেই বলতেন, ‘মোনোয়ার মতো মাংসের স্টু রাঁধতে কেউ পারে না।’
