সুনামগঞ্জের ছাতকে স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় ওই মেয়ের মাকে মেরে হাসপাতালে পাঠিয়েছে বখাটেরা। মারধরের সময় ওই নারীর ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল কেটে গেছে। এ ঘটনায় ছাতক থানায় ছয়জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।
মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই স্কুলছাত্রীর মায়ের বাড়ি ছাতক উপজেলার ছৈলা-আফজলাবাদ ইউনিয়নে। তার স্বামী সৌদি প্রবাসী। শনিবার বিকেলে মেয়েকে নিয়ে তিনি এলাকার বাজারে যেতে বাড়ি থেকে বের হন। এ সময় রাস্তার পাশে আনোয়ার হোসেন ও মিন্টু মিয়া দাঁড়িয়ে ছিল। মা ও মেয়ে যাওয়ার সময় তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে কথা বলে ওই দুজন। এ সময় রুনা বেগম প্রতিবাদ করেন। বখাটেরা তখন রুনা বেগমের সঙ্গে তর্কজুড়ে দেয়। একপর্যায়ে রুনা বেগমের ওপর হামলায় চালায় বখাটেরা। তাদের মারধরে তিনি আহত হন।
পুলিশ জানায়, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রুনা বেগমের ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলের মাঝামাঝি জখম হয়েছে। এরপর তাকে প্রথমে স্থানীয় কৈতক পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং পরে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি একদিন ভর্তি ছিলেন।
ঘটনার পরদিন রবিবার স্কুলছাত্রীর চাচা বাদী হয়ে আনোয়ার হোসেন, মিন্টু মিয়াসহ ছয়জনকে আসামি করে ছাতক থানায় মামলা দায়ের করেন।
তবে পুলিশ এখনো কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ নাজিম উদ্দিন মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওই নারীকে মারধর করার ঘটনার সত্যতা পেয়েছি আমরা। তার ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলে জখম রয়েছে। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।
