কাতারের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারলেও শিষ্যদের পারফরম্যান্সে খুশি জেমি ডে। করোনা বিরতির পর অল্প প্রস্তুতিতে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জামালদের প্রচেষ্টাকে বাহবা দিচ্ছেন এই ইংলিশ।
শুক্রবার বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের যৌথ বাছাইয়ে কাতারের বিপক্ষে ০-৫ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। প্রথম লেগে ঘরের মাঠে হারের ব্যবধান ছিল ০-২।
‘ই’ গ্রুপের প্রিলিমিনারি রাউন্ডে এটিই (০-৫) বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার। এর আগে ওমানের মাঠে ১-৪ গোলে হারটি ছিল সবচেয়ে বড়।
তবে ম্যাচ শেষে জেমি ডে বললেন, ‘কাতার এশিয়ার সেরা দল। তারা চার মাস ধরে অনুশীলন করছে। আমরা অনুশীলন করেছি পাঁচ সপ্তাহ। আগের ম্যাচে তারা শক্তিশালী কোরিয়ার বিপক্ষে খেলে এসেছে। আমি মনে করি, তাদের বিপক্ষে ছেলেরা দারুণ খেলেছে।’
পুরো ম্যাচ জুড়ে আসলে এদিন খেলেছে কাতার। বাংলাদেশকে শুধু রক্ষণ সামলাতে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে। কোচের চোখে, ‘কাতারের মতো বলের নিয়ন্ত্রণ এবং টেকিনিক্যাল সামর্থ্য আমাদের নেই। তবে ছেলেরা শতভাগ দিয়েছে।’
কোচ আলাদা করে প্রশংসা করেছেন গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোর। ক’দিন আগেই নেপাল সিরিজে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছে তার। নিয়মিত গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানাকে বাইরে রেখে বসুন্ধরা কিংসের এই গোলরক্ষককে খেলানোর সিদ্ধান্ত নেন জেমি।
কোচ নিজের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে প্রশংসায় ভাসান জিকোকে, ‘আমি মনে করি জিকোকে খেলিয়ে আমি ঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সে অবিশ্বাস্য এবং বিশ্বমানের কিছু সেভ করেছে।’ তবে হারের ব্যবধানটা ৪-০ হলে ভালো হতো বলে মন্তব্য করেন জেমি।
