অসুস্থতার কারণে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে পারেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এমন খবর দিয়েছিলেন এক ইরানি সাংবাদিক। তবে খামেনির অসুস্থতার বিষয়টি সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন তার কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, মেহদি ফাজায়েলি নামে ওই কর্মকর্তা সর্বোচ্চ নেতার প্রকাশনার সঙ্গে জড়িত। টুইটারে এক পোস্টের মাধ্যমে খামেনির বিষয়ে জানান তিনি।
ফাজায়েলি বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে এবং ভক্তদের দোয়ায় আয়াতুল্লাহ খামেনি সুস্থ আছেন এবং তিনি প্রতিদিনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যস্ত আছেন।’
এর আগে মোমাহাদ আহওয়াজে নামের এক সাংবাদিক দাবি করেন, অসুস্থতার কারণে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার ‘সিদ্ধান্ত নিয়েছেন’ ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।
তিনি বলেন, ‘দেশের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি বর্তমানে ৮১ বছর বয়সে। তার স্বাস্থ্যের অবস্থা ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। গত শুক্রবার ইরানের রাষ্ট্রপতি হাসান রুহানির তার সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল। কিন্তু আচমকা সর্বোচ্চ নেতার শরীর খারাপ হওয়ায় সেই বৈঠক বাতিল করা হয়। খামেনির স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে চিন্তায় রয়েছে ইরান। এ কারণে তার ছেলেকে সর্বোচ্চ নেতার পদে বসানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।’
১৯৩৯ সালে ইরানের শহর মাশাদে জন্মগ্রহণ করেন আয়াতুল্লাহ খামেনি। বাবাকে অনুসরণ করে তিনিও ধর্মগুরু হন। তরুণদের প্রতি প্রায়ই তিনি উপদেশমূলক কথাবার্তা বলেন।
২০১৪ সালে অন্ত্রের ক্যানসার হওয়ার কারণে একটি অপারেশন হয়েছিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতার। তারপর থেকেই তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে খুব একটা খোঁজখবর পাওয়া যায় না। বেশিরভাগ সময়ই লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকেন তিনি।
