সরকারি খাদ্যগুদামে চাল দেওয়া

শেষ দিনে চুক্তিবদ্ধ হলেন মাত্র ২৭ চাতালমালিক

আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০২০, ১১:৪৮ পিএম

বর্তমান বাজারে ধান কিনে চাতালে সেদ্ধ করে শুকিয়ে এক কেজি চালের দাম পড়ে ৪৩ টাকা। কিন্তু সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার রোপা-আমন মৌসুমে চালের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭ টাকা, আতপ চালের দাম ৩৬ আর ধানের দাম ২৬ টাকা। এতে ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। তাই বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার চালকল মালিকরা এবার আমন মৌসুমে সরকারি খাদ্যগুদামে চাল না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার চালকল মালিকদের সঙ্গে সরকারি খাদ্যগুদামে চাল দেওয়ার চুক্তির শেষ দিন পর্যন্ত মাত্র ২৭টি চালকল মালিক চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এর মধ্যে দুটি অটো রাইস মিলমালিক রয়েছেন।

এ বছরের ইরি-বোরো মৌসুমে ৪৯৬ জন চালকল মিলারদের মধ্যে ২৬২ জন চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন। ওই মৌসুমে চাল সংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ঘাটতি পড়ে ৫ হাজার ৬৭৯ মেট্রিক টন। এতে চুক্তিবদ্ধ মিলারদের মধ্যে ২৩৪ জনকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া জেলায় বরাদ্দের শুধু দুপচাঁচিয়া উপজেলায় দুই তৃতীয়াংশ ধান-চাল সংগ্রহের জন্য সরকারি বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এবার আমন মৌসুমে ধান সংগ্রহের বরাদ্দ নির্ধারণ হয়েছে ৭৭৩ মেট্রিক টন এবং চাল সংগ্রহের বরাদ্দ ১০ হাজার ৯৮২ মেট্রিক টন। উপজেলায় সরকারি নিবন্ধনকৃত (ফুড গ্রান্ট লাইসেন্স) চালকলের সংখ্যা ৪৯৬টি। এর মধ্যে ১৪টি অটো রাইস মিল রয়েছে।

উপজেলা চালকল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজি আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘গত ইরি-বোরো মৌসুমে সাড়ে ৫ কোটি টাকা লোকসান গুনে চাল দিয়েছি।’

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা অরুণ কুমার প্রামাণিক বলেন, এত কমসংখ্যক চালকল মালিক চুক্তিবদ্ধ হওয়ায় চাল সংগ্রহ অর্জিত হবে না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত