নোয়াখালীর হাতিয়ার পাশের মেঘনা নদীতে মঙ্গলবারের ট্রলারডুবির ঘটনায় এখনো নিখোঁজদের কারও সন্ধান মেলেনি।
পুলিশ, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দিনরাত উদ্ধার তৎপরতা চালালেও বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত সন্ধান পাওয়া যায়নি।
হাতিয়া কোস্টগার্ড স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিপিও মোহাম্মদ আলী এবং নিহত নববধূর বাবার বাড়ির পাশের মোরশেদ বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক আবুল হাসান এ খবর নিশ্চিত করেছেন।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) কাঞ্চন কান্তি দাস নিখোঁজ যাত্রীদের তথ্য দিয়েছেন।
তারা হলেন- হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের আল আমিন গ্রাম বাজারের পশ্চিমের নাসির উদ্দিনের স্ত্রী জাকিয়া বেগম (৫৫), আব্দুল কাদেরের ছেলে হাসান উদ্দিন (৭) ও মেয়ে নাসরিন বেগম (৪), রুবেল উদ্দিনের মেয়ে হালিমা (৩) এবং ভোলার মনপুরা উপজেলার দাসেরহাট গ্রামের মহিউদ্দিনের মেয়ে লামিয়া (৩), হাতিয়ার চানন্দি পূর্ব আজিম নগর গ্রামের রিয়াজের মেয়ে নিহা (১), নোয়াখালীর বয়ারচর গ্রামের ইলিয়াসের ছেলে আমির হোসেন (৩/২) এবং ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার মনপুরা গ্রামের রহিমের ছেলে আলিফ (৩)।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিকেলে হাতিয়ার দুই নম্বর চানন্দি ইউনিয়নের নলেরচর থেকে বরযাত্রীবাহী একটি ট্রলার ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার চর কলাতলী যাচ্ছিল। নোয়াখালীর হাতিয়ার ক্যারিংচরের পাশের মেঘনায় প্রবল স্রোতে ট্রলারটি ডুবে যায়।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সাতজনের (দুই মেয়ে শিশু ও তিন নারী) লাশ উদ্ধার করা হয়। ৩০ জন জীবিত উদ্ধার হলেও বর ও কনে পক্ষের হিসাব অনুযায়ী এখনো আটজন নিখোঁজ।
