কুয়াকাটা পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে শিশুসহ অন্তত ২৮ জন আহত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় কুয়াকাটা পৌর শহরের ৪নং ওয়ার্ডের মেলাপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের কুয়াকাটা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত নৌকার সমর্থক রফিকুল ইসলামকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক রাসেলকে পাঠানো হয়েছে কলাপাড়া হাসপাতালে। খবর পেয়ে মহিপুর থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। এ ঘটনায় নির্বাচনী এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।
জগ প্রতীকের স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী আনোয়ার হাওলাদার দেশ রূপান্তরকে বলেন, গতকাল বিকেলে ৪নং ওয়ার্ডের একটি উঠান বৈঠকের প্রস্তুতিমূলক কাজের অংশ হিসেবে আমার কর্মী-সমর্থকরা পোস্টার লাগাতে গেলে নৌকা প্রতীকের কর্মী-সমর্থকরা হামলা চালায়। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে আমাকেও তারা লাঞ্ছিত করে।
অন্যদিকে নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান পৌর মেয়র আবদুল বারেক মোল্লা দেশ রূপান্তরকে বলেন, দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রচার-প্রচারণার নিয়ম থাকলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হাওলাদার নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করে গতকাল সকালে শতাধিক কর্মী-সমর্থক নিয়ে প্রচারে বের হন। এ নিয়ে তার সমর্থকদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালের চিকিৎসক মাহামুদুল হাসান বলেন, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত সাতজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
মহিপুর থানার ওসি মনিরুজ্জমান বলেন, দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশের একটি দল গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।
