বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে বেশ কিছু তরুণ ক্রিকেটার আলো ছড়িয়েছেন। জানান দিয়েছেন বড় সম্ভাবনার। তবে জাতীয় দলে তাদের বিবেচনার জন্য আরেকটু সময় নিতে চান নির্বাচকেরা।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দল গোছানোর কাজ করছেন নির্বাচকেরা। করোনা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সিরিজ হবে এটি। এই সিরিজে যে অভিজ্ঞদের ওপরই আস্থা রাখতে যাচ্ছেন নির্বাচকেরা, তা এক রকম পরিষ্কার।
ওয়ানডে দিয়ে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে সিরিজ শুরু হবে ২০ জানুয়ারি। উইন্ডিজ দল ঢাকায় আসবে ১০ জানুয়ারি। এর তিন দিন আগে অনুশীলন শুরু হবে ক্রিকেটারদের। মাসের শুরুতে ঘোষণা করা হবে প্রাথমিক স্কোয়াড।
করোনা সুরক্ষার জন্য বায়ো-বাবলের মধ্যে থেকে সিরিজে অংশ নেবে দুই দল। এমনিতে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজের স্কোয়াড সাধারণত ১৫ জনের হয়ে থাকে। বায়ো-বাবলের বিষয়টি মাথায় রেখে উইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের ওয়ানডে দলটা হবে ১৭ জনের।
তা ওয়ানডে সিরিজে কি বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে তরুণ পারফরমারদের বিবেচনা করা হবে? ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোকে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবাদীন নান্নু বলেছেন, আপাতত সেই ভাবনা তাদের নেই।
নান্নু বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট থেকে ওয়ানডের জন্য খেলোয়াড় সেট করা কঠিন কাজ। এটাও সত্যি যে স্থানীয় ক্রিকেটাররা অনেক দিন পর টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলেছে। অনেকে এই প্রথম টি-টোয়েন্টি খেলেছে। তারা ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলেছে।’
‘হাই পারফরমেন্সের ক্রিকেটাররা এই টুর্নামেন্টে ভালো খেলেছে। তাদের মধ্যে কারা কোন ফরম্যাটে ভালো খেলবে, তা বোঝার জন্য আমরা একটা প্রোগ্রাম সেট করে দেব।’
হাই পারফরম্যান্স কোচ টবি রেডফোর্ডও এখনই তরুণদের জাতীয় দলে বিবেচনার পক্ষে নন। এই ইংলিশ কোচ বলেন, ‘কিছু তরুণ খেলোয়াড় আছে যারা তৈরি। তারা হয়তো ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলবে। এমন কিছু খেলোয়াড় আছে যাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার সব গুনই রয়েছে। তবে তাদের আরো শক্তিশালী, যোদ্ধা হতে হবে। বা কারো টেনকিনে উন্নতি করতে হবে।’
