নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক সুজনের বিরুদ্ধে নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক কলেজশিক্ষক।
৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ছাত্রলীগের সাবেক এ নেতার নেতৃত্বে তার লোকজন ওই শিক্ষকের নির্মাণাধীন বাড়িতে কয়েকবার হামলা, ভাঙচুর, শ্রমিকদের মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালী প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন নোয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আ ফ ম রুহুল আমিন।
এ সময় তিনি বলেন, প্রায় সময় সুজন ও তার লোকজন ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় শিক্ষককে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে সুজন। যার কারণে শিক্ষক তার মালিকানাধীন জায়গায় বাড়ি নির্মাণ করতে পারছেন না।
এ ঘটনায় তিনি পুলিশ, র্যাব ও জেলা প্রশাসনকে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি।
সর্বশেষ ২১ ডিসেম্বর (সোমবার) সুজন তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এসে ওই শিক্ষকের নির্মাণাধীন বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। সঙ্গে একটি পিকআপ এনে ২ লাখ টাকার নির্মাণ সামগ্রী অস্ত্রের মুখে ভয় দেখিয়ে লুট করে নিয়ে যায়। উল্টো তাদের লোকজন আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে ৬ শতাংশ জায়গা তাদের বলে দাবি করছে।
এসব বিষয়ে উকিল সালিসের সিদ্ধান্ত হলেও গত ১২ দিন ধরে কালক্ষেপণ করছে প্রতিপক্ষ। এমন অবস্থায় শিক্ষক রুহুল আমিন ও তার পরিবার-পরিজন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তবে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফজলুল হক সুজন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার খালুর সঙ্গে জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে প্রফেসর রুহুল আমিনের। অমীমাংসিত জায়গায় তিনি বাড়ি নির্মাণের কাজ করছেন। এ বিষয়ে তাকে বৈঠক করার জন্য বললে তিনি বৈঠকে না বসে মিথ্যা অপবাদ অভিযোগ তুলছেন।
