গুরুতর আহত টাঙ্গাইলের গোপালপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর, নারী কাউন্সিলর প্রার্থী হাফিজা বেগম শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাকে হত্যা করা হেয়েছে বলে অভিযোগ বিএনপির।
যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু অভিযোগ করে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জনপ্রিয় এই কাউন্সিলর প্রার্থীকে হত্যা করেছে।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণার জন্য গত ১৮ ডিসেম্বর বিকেল ৪টার দিকে গোপালপুর পৌরসভার ডুবাইল পূর্বপাড়ার বাড়ি থেকে তিনি একটি ওয়াজ মাহফিলে যাচ্ছিলেন। বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর রাস্তায় উঠলেই উল্টো দিকে থেকে দ্রুত গতিতে একটি মোটরসাইকেল এসে তাকে চাপা দেয়। এতে করে তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়েন যান। তার দুই পা ভেঙ্গে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি তরা হয়। পরে সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
টুকু বলেন, ‘হাফিজা বেগমের স্বামী আবদুল খালেক পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ এনে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তার হোসেনকে অভিযুক্ত করে গোপালপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ছাড়া হাফিজা বেগমকে হত্যার অভিযোগে এলাকায় কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।’
টুকু জানান, তার লাশ টাঙ্গাইলে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সরকার সারাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা শুরু করেছে। আওয়ামী লীগের এ সন্ত্রাস থেকে নারী নেত্রীরাও রক্ষা পাচ্ছে না। কিন্তু এভাবে বেশিদিন চলবে না। দেশে গণতন্ত্র ফিরবেই। সেদিন এসব হত্যা আর জুলুমের বিচার অবশ্যই হবে।’
এ সময় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে যুবদল, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
