মৃত্যুদন্ড কার্যকর হওয়া যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেম আলী যুক্তরাষ্ট্রে ২৫ মিলিয়ন ডলার পাচারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটে (বিএফআইইউ) চিঠি পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মীর কাসেম আলীর যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করা সেই ২৫ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় সোয়া ২০০ কোটি টাকা দেশে ফিরিয়ে আনতে তৎপরতা চালাচ্ছে কমিশন। সেই সঙ্গে অর্থ পাচারের বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তাও জানতে চেয়েছে দুদক।
গতকাল সোমবার দুদক কমিশনার এএফএম আমিনুল ইসলাম নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘মীর কাসেম আলীর ২৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার যুক্তরাষ্ট্রে পাচারের অভিযোগ পেয়ে আমরা লিগ্যাল মিচুয়্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকুয়েস্ট (এমএলএআর) পাঠাই। মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর আমরা নানামুখী তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোনো তথ্য পাইনি। বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিএফআইইউতে আছে। বিষয়টি আমাদের তফশিলভুক্ত না হওয়ায় বিএফআইইউ কাজ করছে। সম্প্রতি আমরা তার ফাইলের সর্বশেষ অবস্থা জানার জন্য জানতে চেয়েছি। এ টাকা যুদ্ধাপরাধ থেকে বাঁচতে ব্যয় করা হয়েছিল।’
দুদক থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের চোখ ফাঁকি দিয়ে আমেরিকার সিটি ব্যাংক এনএ’র মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ট্রান্সফার পদ্ধতিতে দেশটির কেসিডি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের হিসাব নম্বরে ২৫ মিলিয়ন ডলার পাঠানো হয়েছিল। প্রায় ৯ বছর আগে এ বিষয়ের তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান বিএফআইইউ।
