ছিলেন ৩৩ বছরের একটানা কাউন্সিলর। নিজ এলাকা ৪নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করে বিজয় ছিনিয়ে এনে ৬ দফায় কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তবে এবার আর কাউন্সিলর হিসেবে জয়ী হননি তিনি। প্রথমবারের মতো মেয়র পদে নির্বাচন করেই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে ১৪ হাজার ৬৮২ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত মেয়র হলেন আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন।
নৌকার প্রতীক নিয়ে বিশাল ভোটের ব্যবধানে মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। কাউন্সিলরের চেয়ারে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা থাকলেও মেয়রের চেয়ারে একেবারে নতুন তিনি।
রিটার্নিং অফিসারের তথ্য বলছে, মেয়র পদে নির্বাচিত নৌকার প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন ২২ হাজার ৩৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুল হক মালিক মজু মোবাইল প্রতীক নিয়ে ৭হাজার ৬৫৭ ভোট পেয়েছেন। তৃতীয় স্থান হয়েছেন বিএনপি মনোনীত সিরাজুল ইসলাম মনি। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৯৭ ভোট।
চার নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হয়ে খোকনের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৮৯ সাল থেকে। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ২৪ বছর। এরপর এই পদে নির্বাচনে কোনোদিন পরাজিত হতে হয়নি তাকে। ৫৭ বছর বয়সে এসে এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়নে মেয়র হলেন তিনি।
রাজনৈতিক পরিচয়ে খোকন চুয়াডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি জানান, জেলা আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনয়ন সভায় কাউন্সিলর প্রার্থী চূড়ান্ত করে মেয়র পদের জন্য তিন জনের নাম প্রস্তাব করা হয়। সেখানে তার নাম ছিল তিন নম্বরে।
বিজয়ী হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ মনোনীত জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন পৌরবাসীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, এই বিজয় গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহতের বিজয়। এই বিজয় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার বিজয়। এই বিজয় চুয়াডাঙ্গা শহরবাসীর বিজয়। একই সঙ্গে নৌকা প্রার্থীকে বিজয়ী করায় সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
