টি-টোয়েন্টি ম্যাচে প্রায়ই দেখা যায় টাই, পরে সুপার ওভারে নিষ্পত্তি হয়। ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালও টাই হয়েছিল, সুপার ওভারেও টাইয়ের পর বাউন্ডারির হিসাবে শিরোপা জিতেছিল ইংল্যান্ড। তবে ফার্স্ট ক্লাসে টাই খুব একটা দেখা যায় না। গতকাল সেটিই হলো পাকিস্তানের ঘরোয়া প্রতিযোগিতা কায়েদ-ই-আজম ট্রফির ফাইনালে। ৬০ হাজারের বেশি ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচে এটি ৬৭তম টাই।
করাচির টেস্ট ভেন্যু ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের ৬ দলের টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল খাইবার পাখতুন ও সেন্ট্রাল পাঞ্জাব। ৩৫৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নামা পাঞ্জাবের ইনিংস থামে ৩৫৫-তে। নাটকীয়তায় ভরপুর ছিল ফাইনাল। খাইবার প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় ৩০০ রানে। সেন্ট্রাল পাঞ্জাব ৯ উইকেটে ২৫৭ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। অথচ শেষ উইকেটে ৩৭ রান তুলে ভালোই এগুচ্ছিল পাঞ্জাব। দ্বিতীয় ইনিংসে খাইবার পাখতুন ৩১২ রানে অলআউট হলে জয়ের জন্য সেন্ট্রাল পাঞ্জাবের সামনে টার্গেট দাঁড়ায় ৩৫৬। ২ উইকেটে ১৪০ নিয়ে পঞ্চম দিন শুরু করেছিল তারা। পাকিস্তানের হয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলা হাসান আলি বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে জয়ের পথে নিয়ে যান দলকে। ২৪৯ রানে অষ্টম উইকেট হারানোর পর ৫৯ রানের জুটি গড়েন হাসান ও সাফি আবদুল্লাহ। সাফি ৩৫ রানে ফেরেন দলীয় ৩১৯ রানে। এক প্রান্ত আগলে রেখে হাসান ৬১ বলে ১০ চার ও ৭ ছক্কায় ১০৬ রানের ইনিংস দিয়ে দলকে জয় থেকে ১ রান দূরে নিয়ে যান। কিন্তু ওই অবস্থায় শেষ ব্যাটসম্যান ওয়াক্কাস মিড অনে ক্যাচ দিয়ে ফিরলে ম্যাচ টাই হয়। খাইবার পাখতুন ও সেন্ট্রাল পাঞ্জাব যৌথ চ্যাম্পিয়ন হয়। ইন্টারনেট।
