করোনাভাইরাস পরীক্ষা ও চিকিৎসায় প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির করে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।
বুধবার তাকে জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমানের আদালতে হাজির করলে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু বক্কর সিদ্দিকী সময় প্রার্থনা করায় বৃহস্পতিবার ফের তাকে আদালতে হাজির করে অভিযোগ গঠনের জন্য শুনানির দিন ধার্য করা হয়।
এরপর তাকে নেয়া হয় সাতক্ষীরা কারাগারে।
সাতক্ষীরা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা জজ আদালতে তাকে হাজির করা হলে আদালত দুটি মামলায় তাকে আসামি করে অভিযোগ গঠন করে। এ সময় সাহেদ টক’শোর ভঙ্গিতে নানা ঘটনার অবতারণা করলে আদালতের সরকারি কৌঁসুলিদের আপত্তির মুখে বিরত হন তিনি।
এদিকে অভিযোগ গঠনে আপত্তি তুললেও আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু বক্কর সিদ্দিকীর কথা আদালতে খারিজ হয়ে যায় এবং আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেছে বলে জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১৫ জুলাই ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শাখরা কোমরপুর এলাকা দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে কোমরপুর বেইলি ব্রিজের নিচ থেকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৬ এর সদস্যরা তাকে আটক করে।
এ সময় তার কাছে থাকা একটি অবৈধ পিস্তল, ৩ রাউন্ড গুলি, ২৩৩০ ভারতীয় রুপি, ৩টি ব্যাংকের এটিএম কার্ড ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় র্যাবের ডিএডি নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দেবহাটা থানায় সাহেদ করিম ও জনৈক বাচ্চু মাঝিকে আসামি করে একটি মামলা করেন। পরে বাচ্চু মাঝির নাম বাদ দিয়ে সাহেদকে এককভাবে আসামি করা হয়।
