সম্মেলন দিয়ে ছাত্রলীগকে 'বিতর্কমুক্ত' করার দাবি

আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৬:৪৯ পিএম

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে  বিতর্কিতদের স্থান দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংগঠন থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত কয়েকজন নেতা।

তারা বলছেন, ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সংগঠন পরিচালনা করার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে। তাদের উচিত ছাত্রলীগকে 'বিতর্কমুক্ত' করতে দ্রুত সম্মেলনের আয়োজন করা।

বুধবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অব্যাহতিপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. আহসান হাবীব ও উপ-দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আবদুল্লাহ বিন মুন্সি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন ছাত্রলীগ থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় উপ-দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আবদুল্লাহ বিন মুন্সি।

তিনি বলেন, শোভন-রাব্বানী পদত্যাগ করার পর জয়-লেখক ছাত্রলীগের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নিয়ে ২০১৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ২১ জনকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। কিন্তু কেন অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে তা উল্লেখ করা হয়নি। এরপর আমরা তাদের কাছে একাধিক বার কারণ জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তা জানাতে পারেনি।

তিনি বলেন, গত ৩১ জানুয়ারি ৬৮ জনকে পদায়ন করা হয়েছে। কোন প্রক্রিয়ার এবং কিসের ভিত্তিতে এসব পদায়ন করা হয়েছে তার ব্যাখ্যাও পাওয়া যায়নি। এদের মধ্যে অনেকেই মাদকাসক্ত, বয়স বেশি, বিবাহিত, চাকরিজীবী মামলার আসামিসহ গঠনতন্ত্র বিরোধী অনেকেই রয়েছে। এটা স্পষ্টতই একটা প্রহসন।

তিনি আরও বলেন, জয় ও লেখক স্বেচ্ছাচারী আচরণ করছে। ত্যাগী ও সিনিয়র নেতাদের অবমূল্যায়ন, তৃণমূলে সম্মেলন দিতে না পারার ব্যর্থতা নিয়ে তাদের পদত্যাগ করা উচিত। আপনারা দায়িত্ব পালনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। ইতিমধ্যে তা প্রমাণিত হয়েছে। তাই অনতিবিলম্বে ৩০তম সম্মেলন দিয়ে সংগঠনকে নতুন করে ঢেলে সাজিয়ে সকল স্থবিরতা ও অচলায়তন ভাঙার দাবি জানাচ্ছি।

অব্যাহতি প্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক আহসান হাবিব বলেন, কমিটি দিয়ে তারা বলছে যাচাইবাছাই করে কমিটি দিয়েছে। যদি যাচাই করে কমিটি দেওয়া হয় তাহলে বিতর্কিতরা কীভাবে স্থান পায়। বর্তমান সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ব্যর্থ। ব্যর্থতার দায় নিয়ে নতুন সম্মেলন দিয়ে ছাত্রলীগকে বিতর্কমুক্ত করুন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত