ভাষা আন্দোলনে ভূমিকার জন্য মরণোত্তর একুশে পদক পেলেন ময়মনসিংহের ফুলপুর তারাকান্দার সাবেক সংসদ সদস্য ভাষা সৈনিক শামসুল হক।
তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের পাঁচবারের সংসদ সদস্য।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় আনন্দ মোহন কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্র ছিলেন শামসুল হক। আন্দোলনে যোগ দেওয়ায় তাকে ময়মনসিংহ শহরের স্টেশন রোড থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ সময় ৬ মাস কারাগারে কাটান শামসুল হক। ময়মনসিংহ শহরে প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন।
শামসুল হক ফুলপুর-তারাকান্দার বর্তমান সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের বাবা।
এ দিকে ভাষা সৈনিক শামসুল হকের একুশে পদক প্রাপ্তিতে ‘আনন্দিত ও গর্বিত’ বলে উল্লেখ করেছে আবাসন খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান রূপায়ণ গ্রুপ।
বৃহস্পতিবার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (অনুষ্ঠান) অসীম কুমার দে স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একুশে পদকে ভূষিত গুণীজনদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, শিল্পকলা, সাংবাদিকতা, সাহিত্য, শিক্ষা, অর্থনীতিসহ নানা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য একুশে পদক দেওয়া হয়ে থাকে।
এ বছর ভাষা আন্দোলনে মরণোত্তর একুশে পদক পাচ্ছেন তিনজন। তারা হলেন মোতাহের হোসেন তালুকদার (মোতাহার মাস্টার), শামসুল হক ও আফসার উদ্দীন আহমেদ।
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মরণোত্তর একুশে পদক পাচ্ছেন সৈয়দা ইসাবেলা (মরণোত্তর), গোলাম হাসনায়েন ও ফজলুর রহমান খান ফারুক।
