মেয়েটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। রাজশাহী নগরীর মতিহার এলাকায় এক ভদ্রলোকের সন্তানকে পড়ানোর জন্য মৌখিক চুক্তি হয় মেয়েটির। এক সময় চুক্তি অনুযায়ী পড়ানো শেষ হলে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তিনি মেয়েটিকে তার প্রাপ্য টাকার অর্ধেকেরও কম নিতে প্রস্তাব করে। মেয়েটি তা নিতে অস্বীকার করে এবং তার সম্পূর্ণ পাওনা দাবি করে। একপর্যায়ে তার পাওনা না নিয়েই সে তার হোস্টেলে ফিরে আসতে বাধ্য হয়। স্থানীয় প্রভাবশালী বলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে খুব উচ্চবাচ্য করার সাহসও পায়নি মেয়েটি।
ভুক্তভোগী মেয়েটি বাংলাদেশ পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস উইং পরিচালিত ‘বাংলাদেশ পুলিশ অফিশিয়াল ফেইসবুক পেইজে’সহায়তা চান। পরে পুলিশের সহায়তায় মেয়েটি তার পাওনা বুঝে পান।
রবিবার বাংলাদেশ পুলিশের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) মো. সোহেল রানা এসব জানান।
তিনি জানান, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি মেয়েটি ‘বাংলাদেশ পুলিশ অফিশিয়াল ফেইসবুক পেইজে’ ইনবক্সে সহায়তা চেয়ে একটি বার্তা প্রেরণ করে। এই বার্তা পাওয়ার পর মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস উইং সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইন চার্জকে অবগত করে এবং বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নিতে নির্দেশনা দেয়। এর ফলে, উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে বিষয়টি সমাধান করা হয়।
সোহেল রানা বলেন, আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের অনেকেই টিউশনি করে নিজেদের পড়ালেখার খরচ চালিয়ে থাকে। তাই, তাদের প্রতি সহযোগিতার মনোভাব প্রদর্শন করা উচিত এবং তাদের যে কোনো সৎ চেষ্টা ও উদ্যমকে সকলের সমর্থন জানানো উচিত বলে মনে করে বাংলাদেশ পুলিশ।
