আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার তিন কন্যা জানালেন বাবার মৃত্যুর খবরটি কীভাবে প্রথম পেয়েছিলেন তারা।
গত নভেম্বরে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান ম্যারাডোনা। তার তিন কন্যা ডালমা, জিয়ান্নিনা এবং জানা সম্প্রতি একটি টেলিভিশনকে বলেন, কীভাবে বা কার মাধ্যমে প্রথম খবরটি পেলেন তারা।
ডালমা জানান, তিনি প্রথম খবরটি পান বোন জিয়ান্নিনার কাছ থেকে। জিয়ান্নিনা ফোন করে তাকে বলেছিলেন, তাদের বাবাকে বাঁচানোর চেষ্টা চলছে।
ডালমা তখন তাদের মাকে বিষয়টি জানান। এরপরই জিয়ান্নিনা আবারো ফোন করেন ডালমাকে, ‘আমরা তখন পথে। আমার বোন ফোন করে জিজ্ঞেস করে আমরা কোথায়? আমরা যখন পৌঁছালাম, তারা (চিকিৎসক) জানাল বাবা মারা গেছেন। তারা এক ঘণ্টা ধরে তাকে বাঁচিয়ে তোলার চেষ্টা করেছে।’
জিয়ান্নিনা বাবার মৃত্যুর খবরটি প্রথম জানতে পারেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অগাস্তিনা কোসেচভের কাছ থেকে।
জিয়ান্নিনা বলেন, ‘তিনি (অগাস্তিনা) বলেন, আমার বাবার পালস পাওয়া যাচ্ছে না। তারা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছিল। আমি ১টার দিকে বাবা যেখানে ছিল সেখানে পৌঁছাই। সব জায়গায় অ্যাম্বুলেন্স ছিল।’
জিয়ান্নিনা বলে যান, ‘ডাক্তার আমার কাছে এসে বলল, তাদের কিছু করার নেই… আমি জেদ করলাম। তিনি বললেন, তারা এক ঘণ্টা ধরে চেষ্টা করছেন।’
কিংবদন্তি ম্যারাডোনার প্রথম দুই সন্তান ডালমা ও জিয়ানিন্না। ম্যারাডোনার সাবেক স্ত্রী ক্লদিয়া ভিল্লাফানের গর্বে তাদের জন্ম হয়।
ম্যারাডোনা আরো তিন সন্তানকে নিজের বলে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। এদের মধ্যে একজন কন্যা সন্তান- জানা। ভ্যালেরিয়া সাবালাইনের সঙ্গে ম্যরাডোনার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক থেকে যার জন্ম।
জানা জানান, তিনি প্রথমে তার এক বন্ধর কাছ থেকে খবরটি পান। তবে তিনি খবরটি বিশ্বাস করতে চাননি। পরে রেডিও থেকে নিশ্চিত হন।
খবর: মার্কা
