বগুড়ায় ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের সময় ছুরিকাহত তাকবির ইসলাম খান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
মঙ্গলবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে তিনি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে মারা যান।
হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত তাকবির বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি বগুড়া শহরের মালতিনগর দক্ষিণ পাড়ার জহুরুল ইসলাম খান দুলালের ছেলে।
ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জানান, গত ১১ মার্চ বগুড়া শহর থেকে ধুনট উপজেলায় দলীয় কর্মসূচিতে যাওয়ার সময় জেলা ছাত্রলীগ নেতা তাকবিরের মোটরসাইকেল জেলা ছাত্রলীগের সদস্য জাহিদের সঙ্গে ধাক্কা লাগে।
এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে রাত নয়টার দিকে শহরের সাতমাথা এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় তাকবির ছুরিকাহতসহ উভয় পক্ষের ৫ জন আহত হন। তাদের মধ্যে তিনজনকে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ওই ঘটনায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ৬০ জনের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি মামলা করে উভয় পক্ষ। এর মধ্যে তাকবিরের পক্ষে তার মা আফরোজা ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।
ওই মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৩০-৩৫ জনকে আসামি করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে তাকবিরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করা হয়।
এই মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফকে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, তাকবিরের মায়ের দায়ের করা মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে চলবে।
তিনি জানান, লাশ পুলিশ হেফাজতে নিয়ে শজিমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
