নোয়াখালীতে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ, আটক ১

আপডেট : ১৯ মার্চ ২০২১, ১১:৩০ পিএম

নোয়াখালী সদর উপজেলার চরমটুয়ায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৬) তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ করেছে পরিবার।

শুক্রবার সকালে তুলে নেয়ার পর দুপুরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানায় পরিবারের লোকজন।

এ ঘটনায় রায়হান (১৯) নামে নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ। সে বেগমগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ খানপুর গ্রামের ডা. আবদুল মোতালেবের ছেলে।

নিহত কিশোরী চরমটুয়ার স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ করেন, চরমটুয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের রাকিব (২০) ও রায়হান (২১) উদয় সাধুর হাট বাজার থেকে মাদ্রাসা ছাত্রীকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে তুলে নিয়ে যায়। পরে তারা তাকে মাইজদী বাজারের রেললাইনের পাশে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে রায়হান কিশোরীকে ধর্ষণ করে।

সকাল ১১টার দিকে ভুক্তভোগী কিশোরী কৌশলে তার বড় বোনকে ফোন করে ঘটনাটি জানায়। সে ফোনে বলে, ‘আপু আমার সব শেষ হয়ে গেছে। আমারে এখান থেকে নিয়ে যা। আমি মাইজদীর আশপাশে আছি। তবে একবারে সঠিক ভাবে বলতে পারব না কোথায় আছি। আমি পরে তোদের সব বলব।’

পরিবারের অভিযোগ, এর পরেই নির্যাতিতা কিশোরীর ফোন বন্ধ করে দেয় এবং ধর্ষণ শেষে তাকে বেধড়ক মারধর করে। দুপুর দেড়টার দিকে অভিযুক্ত রায়হান ওই কিশোরীকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।

সুধারাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাহেদ উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় রায়হানকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত