কালকিনিতে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে অর্ধশতাধিক দোকান ভাঙচুর

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২১, ০২:৪৩ পিএম

মাদারীপুরের কালকিনিতে গ্রাম্য দলাদলিকে কেন্দ্র করে হামলা চালিয়ে অর্ধশতাধিক দোকানে ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাদের বাধা দিলে ব্যবসায়ীসহ প্রায় ১০/১২ জন আহত হয়েছেন।

আহতদের জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ৮জনকে আটক করে।

তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।  শুক্রবার রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

সরেজমিন, ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার লক্ষিপুর ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান তোফাজ্জেল হোসেন কেন্দু কাজীর সঙ্গে একই এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান মো. ফজলুর গ্রাম্য দলাদলি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শত্রুতা চলছিল।

এর জের ধরে সাবেক ই্উপি চেয়ারম্যান মো. ফজলুর নেতৃত্বে তার লোকজন দেশি অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তোফাজ্জেল হোসেন কেন্দুর পক্ষের লক্ষীপুর বাজারের ব্যবসায়ী মুরাদ কাজী, বাবু লাল, জাহিদ, আইউব আলী ও বাবুলসহ প্রায় অর্ধশতাধিক দোকানপাট ভাংচুর চালায় এবং দোকানের মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।

এ সময় তাদের বাঁধা দিলে দাদন হাওলাদার(৬২), আরমান হাওলাদার(২০), ইমরান(২৫), সুজন হাওলাদার(২৫), শাহাদাত হাওলাদার(৪০), কাদের হাওলাদার(৪৫) ও রাবেয়া বেগমসহ(৩৫) কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়।

পরে খবর পেয়ে খাসেরহাট তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ এ ঘটনায় ৮জনকে আটক করে। এ বিষয় কালকিনি থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে শনিবার দুপুরে এ হামলা ও লুটপাটের ঘটনার প্রতিবাদে ও সাবেক চেয়ারম্যান মো. ফজলুর বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন লক্ষিপুর বাজারের ব্যবসায়ীরা।

লক্ষিপুর ইউপি চেয়ারম্যান তোফাজ্জেল হোসেন কেন্দু কাজী বলেন, বিনা কারণে ফজলু তার লোকজন দিয়ে আমাগো বাজারে হামলা চালিয়ে আমার লোকজনের দোকানপাট ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। আমি তার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

এ বিষয় জানতে কল করলে অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান মো. ফজলুর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তাকে এলাকায় পাওয়া যায়নি।

খাসেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর আইসি মো. মামুন হোসেন বলেন, ভাংচুরের ঘটনায় ৮ জনকে আটক করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি ইশতিয়াক আসফাক রাসেল বলেন, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ঘটনার পর থেকেই থানা পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত আছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত