প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া প্রান্ত থেকে ছেড়ে আসা মাধবীলতা নামের একটি ফেরি ঘাটে ভিড়ে। এর কিছুক্ষণ পরই দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে যায় রজনীগন্ধা নামের একটি ফেরি। উভয় ফেরিতে ছিল শতাধিক যাত্রী।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এবং ঘাটে ঈদে ঘরমুখী মানুষের চাপ কমাতে শনিবার ভোর থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন (বিআইডব্লিউটিসি) কর্তৃপক্ষ।
তারই প্রেক্ষিতে শনিবার ভোর থেকে কোনো ফেরি চলাচল করেনি এই নৌরুটে। তবে জরুরি সেবা ও অ্যাম্বুলেন্স পারাপারের জন্য সীমিত আকারে ফেরি চলাচল অব্যাহত রাখে ঘাট কর্তৃপক্ষ।
আজ সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাটুরিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসে মাধবীলতা দৌলতদিয়ার ৪নং পল্টুনে এসে পৌঁছায়। ফেরিতে তিল পরিমাণ কোনো জায়গা ফাঁকা নেই। ফেরিতে মাত্র ৫-৬টি অ্যাম্বুলেন্স ও কিছু মোটরসাইকেল এসেছে। যাত্রীদের চাপে গাড়ি উঠতেও হিমশিম খাচ্ছে।
আর এর কিছুক্ষণ পর ১১টা ৩০ মিনিটের পর দৌলতদিয়া ঘাট থেকে যাত্রী, মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে পাটুরিয়া ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় রজনীগন্ধা নামের একটি ফেরি।
এ সময় কথা হয় পাটুরিয়া ঘাট থেকে আসা যাত্রী আনোয়ারের সাথে। তিনি বলেন, ভোরের দিকে পাটুরিয়া ঘাটে এসেছি ঘাটে এসে দেখি ফেরি চলাচল বন্ধ। পরে প্রায় ১১টার দিকে পাটুরিয়া ঘাট থেকে একটি ফেরি ছাড়লে সেটাতে ওঠে পড়ি।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক ফিরোজ শেখের সাথে মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তিনি এর আগে জানিয়েছিলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ফেরি চলাচল বন্ধ আছে সকাল ৬টা থেকে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে ফেরি চলাচল করবে।
