পিসিআর টেস্টের চেয়ে ‘দ্রুত এবং নিখুঁতভাবে’ নভেল করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ‘বুঝতে পারে’ উচ্চ প্রশিক্ষিত কুকুর। নতুন একটি গবেষণা তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে এই খবর প্রকাশ করেছে দ্য গার্ডিয়ান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত ছয়টি কুকুরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে ল্যাবে এই ফলাফল দেখা গেছে।
মেডিকেল ডিটেকশন ডগস প্রকল্পের কুকুরগুলো ২০০৮ সালে নির্বাচন করা হয়। মানুষের হাঁচি-কাশির কফ থেকে গন্ধ বুঝে সুস্থ এবং অসুস্থ মানুষের পার্থক্য বের করতে এদের কাজে লাগানো হয়। এরা টাইপ ১ ডায়াবেটিসের পাশাপাশি বেশ কিছু জটিল রোগের ক্ষেত্রে দারুণ সফলতা দেখিয়েছে।
করোনা মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর কুকুরগুলোকে কভিড-১৯ শনাক্তের কাজে ব্যবহারের চেষ্টা শুরু হয়।
লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিকাল মেডিসিন (এলএসএইচটিএম)-এর করা এই গবেষণায় বলা হয়েছে, এই কুকুর ম্যালেরিয়াও শনাক্ত করতে পারে।
গবেষণাটি এখনো পিয়ার-রিভিউড জার্নালে প্রকাশ করা হয়নি।
গবেষণায় দেখা গেছে, আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক থেকে ৯৪.৩ শতাংশ নিখুঁত হারে কুকুরগুলো কভিড-১৯ শনাক্ত করতে পারছে। প্রতি ১০০ জন সংক্রমিত মানুষের মধ্য থেকে ৯৪ জনের ক্ষেত্রে তারা সফলতা দেখিয়েছে। পিসিআর টেস্টের চেয়ে এই হার বেশি নিখুঁত।
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুকুরগুলো সেকেন্ডের ভেতরে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত করেছে।
ছয়টি কুকুরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দক্ষতা দেখিয়ে তালা নামের একটি কুকুর। তার সফলতার হার ৯৪.৫ শতাংশ।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, ডিটেকশন কুকুরগুলোকে কভিড-১৯ শনাক্তের জন্য প্রশিক্ষিত করতে ৮ থেকে ১০ সপ্তাহ সময় লেগেছে।
