দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় পিরোজপুর-১ সংসদীয় আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা একেএমএ আউয়াল ও তার স্ত্রী লায়লা পারভীনের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং দুজনের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ কেন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে উচ্চ আদালত। রুলে চার সপ্তাহের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
গতকাল রবিবার শুনানি শেষে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে। ভার্চুয়ালি দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। আওয়াল দম্পতির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শেখ আওসাফুর রহমান বুলু। অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বিচারিক আদালতের ওই আদেশটি বাতিল চেয়ে আবেদন করেছিলেন দুজন। আমরা এ বিষয়ে বিরোধিতা করি। আদালত শুধু চার সপ্তাহের রুল দিয়েছে।’
