তিন সতীর্থকে পেছনে ফেলে অলিম্পিকের ওয়াইল্ড কার্ড নিজের করে নিয়েছেন শুটার আব্দুল্লাহ হেল বাকী। আন্তর্জাতিক শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশন ও আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) টানা দ্বিতীয়বারের মতো বাকীকেই দিয়েছে অলিম্পিকের টিকিট। বৈশ্বিক এই আসরে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিতে বাকী জার্মানিতে যাচ্ছেন জুলাইয়ের শুরুতে।
জার্মানির ডর্টমুন্ড শহরে বিখ্যাত রাইফেল ট্রেনার হেইঞ্জ রেইকেমেয়ারের এমইসি শুটিং রেঞ্জে প্রস্তুতির সুযোগ পাচ্ছেন বাকী। স্থানীয় কোচ গোলাম শফিউদ্দিন খান শিপলুও যাবেন বাকীর সঙ্গী হয়ে। তবে তার আগে তাদের পেতে হবে জার্মানির ভিসা।
বাকীর জন্য অলিম্পিক এবারই প্রথম নয়। ২০১৬ রিও অলিম্পিকেও বাংলাদেশের হয়ে খেলেছিলেন তিনি। সেবার ৬০ প্রতিযোগীর মধ্যে ২৫তম হয়েছিলেন বাকী। এবার অবশ্য ফাইনালের লক্ষ্য নিয়েই নিজেকে প্রস্তুত করতে চান অভিজ্ঞ এই শুটার।
অভিজ্ঞ ট্রেনার হেইঞ্জের কাছে ২০১৮ সালে কমনওয়েলথ গেমসের আগে কিছু সময়ের জন্য ট্রেনিং করেছিলেন বাকী। এবার সেই সুযোগটা পাওয়ায় সুবিধার দিকগুলো তুলে ধরেছেন তিনি, ‘সেখানে যাওয়ার মূল কারণ তিনটি। গুলি নির্বাচন, রাইফেল সার্ভিসিং এবং একজন বিশ্বের সেরা কোচের অধীনে কিছুদিন ট্রেনিং করা। অলিম্পিকের মতো আসরে যে মানের গুলি ব্যবহৃত হয়, সেগুলো আমাদের এখানে পাওয়া যায় না। রাইফেলের সঙ্গে যেটা মানাবে সেই গুলি দিয়েই আমি ট্রেনিং করব।’
রিও অলিম্পিকে ৬২১.২ স্কোর গড়েছিলেন বাকী। বর্তমানে অনুশীলনে তার গড় স্কোর ৬২৫ এর মতো। অলিম্পিকের আগে নিজের স্কোরটাকে ৬২৭-৬২৮ এ নিয়ে যেতে চান বাকী, ‘অলিম্পিকে এর আগেও খেলেছি। তারপরও অলিম্পিক অনেক কঠিন জায়গা। আমার চেষ্টা থাকবে স্কোরটা ৬২৭-৬২৮ এ নিয়ে যাওয়া। সেটা হলে আমার বিশ্বাস সেরা আটে খেলতে পারব।’
জার্মানিতে বাকীর ট্রেনিং বাবদ পুরো ব্যয় বহন করবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। তবে কোচ শিপলুর খরচ দেবে বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্ট ফেডারেশন।
