কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়কের ৮ মাইল বহলবাড়িয়া নামক স্থানে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মেহের নিগার (৩০) নামে এক প্রসূতি নারী ও শিশির (১৭) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত মৃত মেহের নিগারের স্বামী সুবোল হোসেন (৩৭) এবং সিএনজির অপর যাত্রী রিয়াজ উদ্দিনকে (১৬) উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে হাইওয়ে পুলিশ।
নিহতরা হলেন- ভেড়ামারা উপজেলার চাদগ্রামের বাসিন্দা সুবোলের স্ত্রী মেহের নিগার এবং দৌলতপুর উপজেলার বাগোয়ান গ্রামের বাসিন্দা গোলাম মোস্তফার ছেলে শিশির। প্রসূতি মেহের নিগার স্বামী সুবোলের সাথে কুষ্টিয়ায় ডাক্তার দেখাতে আসছিলেন।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার সময় মিরপুর উপজেলার ৮ মাইল বহলবাড়িয়া এলাকায় দৌলতপুর থেকে কুষ্টিয়াগামী সিএনজির সাথে কুষ্টিয়া হতে ভেড়ামারাগামী মাইক্রোর মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে সিএনজির মধ্যে থেকে গুরুতর আহত তিন যাত্রীকে উদ্ধার করে।
ঘটনাস্থলে হাইওয়ে পুলিশের গাড়ি এসে পৌঁছালে আহতদের পুলিশের গাড়িতে তুলে দেয়া হয়। গাড়িটি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে তাদের নিয়ে যায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক ওসি গোলাম মোস্তফা জানান, দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া সিএনজির মধ্যে থেকে গুরুতর আহত চারজনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তৃব্যরত চিকিৎসক এক নারীসহ দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন। দুইজনের লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
