পদ্মা সেতুতে ফেরির ধাক্কা: স্রোতের কারণে বলে মনে করছেন ফখরুল

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২১, ০৭:৪৬ পিএম

পদ্মার সেতুর পিলারে ফেরির বারবার ধাক্কা লাগার ঘটনা রোধে আগেই রুট পরিবর্তন করা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার দুপুরে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব এই মন্তব্য করেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এটা কমনসেন্সের ব্যাপার। ফেরি চালাতে পারছে না, এখন তীব্র স্রোত পদ্মায়। এটা তো আর ছোট-খাট নদী না। সেই পদ্মার স্রোতের এ ধরনের ফেরি কিছুটা ডাইভারটেড হবেই। ওখান থেকে রুটটা সরিয়ে অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা- এটাই তো উচিত ছিল’।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকারের আবার সুবিধা আছে। ভেঙে অবশ্যই নতুন করে ফেরিঘাট বানানোর চেষ্টা করবে। অনেক টাকা জোগাড় করার সুযোগ পাবে। হ্যাঁ, আপনার এই যে, বুড়িগঙ্গার ওপর প্রথম ব্রিজ যেটা ওটা নাকি জাহাজ যেতে গিয়ে ভেঙে গেছে। এখন নাকি আবার রিপ্লেস করা হবে। আবার কয়েক হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট হবে। এ রকম প্রজেক্টই ওদের দরকার’।

শুক্রবার মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাট থেকে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটগামী ‘কাকলী’ পদ্মা সেতুর ১০ নম্বর পিলারে ধাক্কা দেয়। এর আগে গত ৯ আগস্ট ‘বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর’ ও গত ২৩ জুলাই আরেকটি ফেরি পদ্মা সেতুর পিলারে আঘাত করে।

বারবার পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কার বিষয়টিতে কোনো ষড়যন্ত্র আছে কিনা তা খতিয়ে দেখবে বলে সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেছেন।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ওনারা তো এটাই দেখবেন। রানা প্লাজার ঘটনা আপনাদের মনে থাকার কথা। তখন মহিউদ্দিন খান আলমগীরের মতো একজন শিক্ষিত মানুষ তিনি বললেন যে, বিএনপি নাকি ঝাঁকি নিয়ে রানা প্লাজাকে ফেলে দিয়েছে’।

পদ্মা সেতুর ব্যয় সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতুর একেবারে প্রথম থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত সেটাকে ভিডিওর মাধ্যমে ছবি তৈরি করার জন্য ১৩৫ কোটি টাকার একটা প্রজেক্ট দিয়েছে। টাকা তো এখানে আসতেছে গৌরী সেন থেকে তো। কয়েক দিন আগে আপনাদের এক পত্রিকাতেই দেখলাম ফুলছুড়ি ঘাট-বাহাদুরাবাদ ঘাট আবার চালু করার জন্য ১৩৫ কোটি টাকা অলরেডি খরচ হয়ে গেছে। এখন  দেখা যাচ্ছে যে, জাহাজ আর চলে না, যার জন্য নাব্যতা নাই নদীর সে জন্য চলছে না’।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত