চট্টগ্রাম নগরীর ১৩৭ প্রজাতির উদ্ভিদ বিলুপ্ত হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন একদল গবেষক। তাদের দাবি, পাহাড় নিধন, পাহাড়ে অপরিকল্পিত বসবাস ও স্থাপনা নির্মাণ যদি বন্ধ করা না হয়, তাহলে গবেষণায় শনাক্তকৃত ৩৬৬ প্রজাতির ঔষধি উদ্ভিদসহ ৪৯৫ প্রজাতির উদ্ভিদের অনেকগুলোই হারিয়ে যাবেÑ যা চট্টগ্রাম শহরের পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করবে। চট্টগ্রাম শহরে কতগুলো উদ্ভিদ রয়েছে, এদের মধ্যে কতগুলো ঔষধি উদ্ভিদ এবং কতগুলো বিপন্ন প্রজাতি বিলুপ্ত প্রায় তা নির্ণয়ে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা- ইকোর অর্থায়নে এ গবেষণাটি পরিচালিত হয়।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে ইফেক্টিভ ক্রিয়েশন অন হিউম্যান ওপেনিয়ন-‘ইকো’ পরিচালিত গবেষণা ফলাফল নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গবেষক দলের প্রধান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক রাসেল এসব তথ্য জানান।
এসব উদ্ভিদ সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ড. ফারুক বলেন, এ উদ্ভিদগুলো রক্ষায় সৌন্দর্যবর্ধনের নামে বিদেশি উদ্ভিদের পরিবর্তে দেশীয় ফলদ-বনজ ও ঔষধি উদ্ভিদ ব্যাপক হারে রোপণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এছাড়া সড়ক-মহাসড়কের বিভাজকে তিন স্তরে ঔষধি, দেশীয় ফলদ গাছ রোপণে গুরুত্ব দিতে হবে।
ইকো’র সভাপতি মো. সরওয়ার আলম চৌধুরী মনি, সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য শাহেদ মুরাদ সাকু ও এস এম আবু ইউসুফ সোহেলের সহযোগিতায় চলতি বছরের মার্চ মাসে এই গবেষণাটি শুরু হয়। এই গবেষণাকর্মটির নেতৃত্ব দেন ড. মোহাম্মদ ওমর ফারুক রাসেল। সহযোগী হিসেবে ছিলেন চবি উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মো. খন্দকার রাজিউর রহমান, ইমাম হোসেন, সজীব রুদ্র, মো. আরিফ হোসাইন, মো. ইকরামুল হাসান, সনাতন চন্দ্র বর্মন, মো. মোস্তাকিম।
