নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলায় অন্তত ১২ জন আহত হন বলে দাবি করে ছাত্রদল।
তবে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের দাবি, ছাত্রদল সরকার বিরোধী স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করে আতঙ্ক সৃষ্টি করায় তাদের ধাওয়া দেওয়া হয়।
রবিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার সাওঘাট এলাকার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিলে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
ছাত্রদল নেতার্মীরা জানান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ মাহমুদ জুয়েল ও জেলা সভাপতি মশিউর রহমান রনিসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে নেতার্মীরা সাওঘাট এলাকায় সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেন।
প্রতিবাদ সভায় জেলা ছাত্রদল নেতা, সফিক, শান্ত, মামুন, মোমেন, ফতুল্লা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুলন, আড়াইহাজার ছাত্রদলের আহ্বায়ক দিপু, রূপগঞ্জ থানা ছাত্রদলের যুগ্ন আহ্বায়ক আশরাফুল হকসহ জেলার প্রতিটি ইউনিট উপস্থিত ছিলেন।
তারা জানান, প্রতিবাদ সভা শেষে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন নেতাকর্মীরা। মিছিলের শেষ পর্যায়ে গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা সৌরভের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে ছাত্রদলের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় বাদশা মিয়া, রাসেল, জুবায়েরসহ অন্তত ১২ জন আহত হন।
হামলা ও আহতের ঘটনা অস্বীকার করে রূপগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল আলম সিকদার বলেন, ছাত্রদল নেতাকর্মীরা সরকার বিরোধী স্লোগান দিয়ে মিছিল বের করে উশৃঙ্খলতা করছিলো। এতে পথচারি থেকে শুরু করে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রদল নেতার্মীদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, ছাত্রদলের ওপর হামলা মানে আমি মনে করি গনতন্ত্রের ওপর হামলা। পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় ছাত্রদলের শান্তিপুর্ণ মিছিলে ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতাকর্মীরা হামলা করেছে। এ হামলার তীব্র নিন্দা জানাই এবং দোষীদের শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানাই।
