কয়েক দিন স্থিতিশীল থাকার পর আবারও দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের দাম পাইকারিতে ৩ টাকা করে বেড়েছে।
একদিন আগেও প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২৮ থেকে ৩২ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বেড়ে ৩১ থেকে ৩২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করেছে। দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষজন।
বৃহস্পতিবার বন্দর দিয়ে আমদানি করা পেঁয়াজ পাইকারিতে ট্রাকসেল ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। আর নাসিক জাতের পেঁয়াজ ৩২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার হিলির কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভারতীয় পেঁয়াজ পূর্বে ২৫ থেকে ২৬টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বেড়ে ৩০ টাকা থেকে ৩২টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা ফিরোজ হোসেন বলেন, পেঁয়াজের বাজার বর্তমানে কিছুটা বাড়তির দিকে রয়েছে। এর কারণ হলো বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি আগের চেয়ে কম হচ্ছে যার কারণে সরবরাহ কম থাকায় পেঁয়াজের দাম বাড়তির দিকে রয়েছে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোজাম হোসেন ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বলেন, ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেশি হওয়ায় বাড়তি দামে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি করতে হচ্ছে।
এছাড়াও দেশীয় পেঁয়াজের দাম কম হওয়ায় দেশের বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের চাহিদা কিছুটা কম থাকায় বাড়তি দামে পেঁয়াজ আমদানি করে কম দামে বিক্রি করায় লোকসানের কারণে আমদানি কমিয়ে দেওয়ায় বন্দর দিয়ে সপ্তাহজুড়ে ১৫ থেকে ২০ ট্রাক করে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছিল।
তবে গতকাল ভারতের অভ্যন্তরে বন্দরের প্রবেশপথে পণ্যবাহী ট্রাক নষ্ট হওয়ায় তীব্র যানজটের কারণে সব পেঁয়াজের ট্রাক দেশে প্রবেশ করতে পারেনি। গতকাল বন্দর দিয়ে মাত্র ৬টি ট্রাকে ১৭২ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এতে করে দেশের বাজারে পণ্যটির সরবরাহ কমায় দাম বাড়তির দিকে রয়েছে।
এছাড়াও বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ দিন হওয়ায় ও শুক্রবার বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় পেঁয়াজ আমদানি হবে না মর্মে দেশের বাজারে পেঁয়াজের বাড়তি চাহিদা থাকায় দাম বেড়েছে। তবে আমদানি বাড়লে দাম আবারও কমে আসবে বলেও জানান তিনি।
