কুষ্টিয়ায় প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে কমিটি

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৩১ এএম

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড (বিটিবি) ২০১৮ সালের জুনে দুটি সরকারি আদেশের অনুকূলে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনকে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় পর্যটকদের কাছে জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে। জেলার দৌলতপুর, কুমারখালী ও খোকসা উপজেলা পর্যায়ে ৯০ লাখ এবং শিলাইদহ কুঠিবাড়ীসংলগ্ন পদ্মার পাড়সহ কুঠিবাড়ীর মূল চত্বরের উন্নয়ন হিসেবে ৯০ লাখ টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এর ঠিক এক বছর পর ২০১৯ সালের জুনে শিলাইদহ কুঠিবাড়ীকেন্দ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাগজে-কলমে ৬৯ লাখ ১৬ হাজার ৯১২ টাকা ব্যয় ধরে একটি প্যাকেজ প্রকল্পের দরপত্র সম্পন্ন করেন জেলা প্রশাসক।

অভিযোগ উঠেছে, এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারি ক্রয়নীতির সরাসরি লঙ্ঘন করে এ খাতে বরাদ্দকৃত সিংহভাগ টাকা তছরুপ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের অনিয়মের সুযোগ নিয়ে গণপূর্ত বিভাগ ও নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ঘটিয়েছে এসব দুর্নীতি। এখন সাংবাদিকদের প্রশ্নে কেউ জানাতে পারছেন না বাকি ১ কোটি ১১ লাখ টাকা কোথায় আছে।

জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সদস্য হাজি গোলাম মহসিনের অভিযোগ, ক্রয়নীতিমালা লঙ্ঘন করে মনগড়া ফাইল তৈরি করে বরাদ্দকৃত টাকার সিংহভাগই আত্মসাৎ করা হয়েছে।

গণপূর্ত বিভাগ কুষ্টিয়ার সংশ্লিষ্ট উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শফিকুর রহমান চৌধুরী দাবি করেন, সবগুলো আইটেম নির্ধারিত মান বজায় রেখেই নির্মাণ করা হয়েছে।

কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক সাইদুল ইসলাম এ ব্যাপারে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি জানান, এলজিইডির উপপরিচালক মৃণাল কান্তিকে প্রধান করে গত ২ সেপ্টেম্বর চার সদস্যের তদন্তে কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলেই দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত