আগামী বছর মার্চে তিন ওয়ানডের সিরিজ খেলতে ভারতের নিউজিল্যান্ড সফরের কথা। টি-২০ বিশ্বকাপের পরপরই নভেম্বরে দুই টেস্ট ও তিন টি-টোয়েন্টি খেলতে ভারত সফরে যাবে নিউজিল্যান্ড। ওই সিরিজ খেলে দেশে ফিরবে ডিসেম্বরের শুরুতে। এরপর বাংলাদেশের সঙ্গে দুই টেস্ট ও তিন টি-টোয়েন্টির হোম সিরিজ। তাছাড়া নেদারল্যান্ডস ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও সিরিজ আছে। নভেম্বরে ভারতে অ্যাওয়ে সিরিজ থেকে মার্চে হোমে ভারতের বিপক্ষে সিরিজ পর্যন্ত লম্বা সময় কোয়ারেন্টাইন ও বায়ো-বাবলের মধ্যে থাকতে হবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটারদের। তাদের স্বস্তি দিতেই ভারতের সঙ্গে মার্চের সিরিজটি পিছিয়ে দিচ্ছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। সঙ্গে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ ডিসেম্বরের শুরুতে না করে শেষদিকে হবে বলেও জানিয়েছে বোর্ড। প্রথাগত বক্সিং ডেতে শুরু হচ্ছে টেস্ট। হবে ২৮ ডিসেম্বর থেকে। এতে ভারত সফর থেকে ফিরে পরিবারের সঙ্গে কিছু সময় কাটাতে পারবেন কিউই ক্রিকেটাররা।
নিউজিল্যান্ড সরকারের নিয়ম অনুযায়ী বাইরে থেকে আসা যে কাউকে আগে থেকে আইসোলেশনের জন্য স্পট বুক করতে হবে। আর কোনো দল খেলতে এলে তা অবশ্যই সরকার কর্র্তৃক ছাড়পত্র পাওয়া হতে হবে। দল বা ব্যক্তি সবাইকেই ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন করতে হবে। বাংলাদেশ ডিসেম্বর-জানুয়ারির সফরের জন্য মোট ৩৫ জনের স্পট বুকিং দিয়েছে।
এছাড়া দুই টেস্ট ও তিন টি-টোয়েন্টির সফরে দক্ষিণ আফ্রিকাও ৩৫ জনের স্পট বুকিং দিয়েছে। গত গ্রীষ্মে উইন্ডিজ, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে হোম সিরিজ খেলে নিউজিল্যান্ড। এবার ভারত বাদ পড়ায় সংখ্যাটা তিন দেশে নামছে।
নিউজিল্যান্ড সংবাদমাধ্যম স্টাফ বলছে ভারত তিন ওয়ানডের এই সিরিজ খেলবে ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর। অস্ট্রেলিয়ায় পূর্বনির্ধারিত ২০২২ টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে গিয়েই তাসমানের ওপারে যাওয়া তাদের সুবিধা হবে।
