ই-কমার্স: গ্রাহকের অর্থ ফেরত ও বিচারিক তদন্ত চেয়ে আইনি নোটিশ

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০১ এএম

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগী গ্রাহকের অর্থ ফেরতে পদক্ষেপ চেয়ে সরকারের উদ্দেশ্যে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এতে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারের বিষয়ে তদন্ত করতে বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিতকরণ ও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি এবং ই- অরেঞ্জের দুই গ্রাহকের পক্ষে সোমবার বাণিজ্যসচিব, অর্থ সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ১৮ জনের উদ্দেশ্যে ই-মেইল ও ডাক যোগে জনস্বার্থে এ নোটিশ পাঠানো হয়। মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে এ নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টে দুই আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব ও মোহাম্মদ কাউছার।

নোটিশের বরাতে ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে অনলাইন ভিত্তিক আর্থিক লেনদেন বেড়েছে। এ সুযোগে ব্যাঙের ছাতার মতো ই-কমার্স ভিত্তিক অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইভ্যালি, ধামাকা, আলেশা মার্ট, কিউকম, ইঅরেঞ্জ, আলাদিনের প্রদীপ, দারাজ উল্লেখযোগ্য। গত কয়েক বছরে এসব প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের কার্যকর নজরদারির অভাবে গ্রাহক আকর্ষণে বিভিন্ন অনৈতিক অফার, ডিসকাউন্টের নামে গ্রাহকদের প্রলুব্ধ করে হাজার হাজর কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ই-কমার্স ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর যে সম্ভাবনা সেটি আজ প্রশ্নবিদ্ধ। নোটিশ গ্রহীতারা কোনোভাবেই এর দায় এড়াতে পারে না। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর এসব অপকর্মের বিষয়ে তদন্ত করতে সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির সমন্বয়ে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন এবং গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষায় অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে নোটিশে অনুরোধ জানানো হয়েছে। ব্যত্যয় হলে প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে বলে জানান নোটিশদাতা আইনজীবী।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত