সিলেটে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও তিনজন। রবিবার সকালে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাককে পেছন থেকে আরেকটি ট্রাক ধাক্কা দিলে ট্রাকের চালক ও সহকারীর মৃত্যু হয়। অন্যদিকে রবিবার বিকেলে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্তে ট্রাক ও অটোরিকশার সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৩ জন।
ওসমানীনগর থানার ওসি শ্যামল বনিক জানান, রবিবার সকালে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগরের চক আতাউল্লাহ নামক স্থানে একটি ট্রাক সড়কের পাশে দাঁড় করে চালক ও সহকারী ট্রাকের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় আরেকটি ট্রাক পেছন থেকে ওই ট্রাককে ধাক্কা দিলে চালক ও সহকারী চাপা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
ওসি আরও জানান, ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়েছে। তবে ট্রাকের চালক পলাতক রয়েছেন।
নিহত দুজন হলেন, খুলনা জেলার সোনাডাঙা উপজেলার নবীনগর গ্রামের মৃত হানিফ উল্লাহর ছেলে ইদ্রিছ আলী (৪৫) ও গোপালগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার মৃত লায়েক মোল্লার ছেলে কামরুল ইসলাম (৫০)।
অন্যদিকে জৈন্তাপুর থানার ওসি গোলাম দস্তগীর আহমেদ জানান, রবিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত খড়িকাপুঞ্জি এলাকায় ট্রাক ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে অটোরিকশার যাত্রী আবদুল গফ্ফার (৪০) ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং আরও তিন যাত্রী আহত হন। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
নিহত আবদুল গফ্ফারের জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল গ্রামের বাসিন্দা।
দুর্ঘটনার পর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা। পরে স্থানীয় বিশিষ্টজনের সহায়তায় পুলিশ অবরোধ তুলে দেয়। পরে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
