লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট উৎসবে মাতলেন বিএনপির কর্মীরা

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২১, ১১:৫৯ পিএম

এটি কোনো ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা জাতীয় কোনো নির্বাচন নয়। তবে অন্য দশটা নির্বাচনের মতোই তফসিল ছিল। সেই তফসিল মোতাবেক মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন প্রার্থীরা। যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থী ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন। প্রচার প্রচারণার সময় পেয়েছেন ১০ দিন। প্রতীক পেয়ে পোস্টার লাগিয়ে ও মাইকিং করে প্রচার এবং গণসংযোগ শেষে গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়েছে। লাইনে দাঁড়িয়ে উৎসবের আমেজে ভোট দিয়েছেন বিএনপি কর্মীরা। ভোটগ্রহণে ছিল প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার, ছিল ভোটের বাক্স। এ ভোট উৎসব ছিল লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের চারটি ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচনকে ঘিরে। আগে নেতারাই নেতা নির্বাচন করে দিত। কিন্তু এবার তৃণমূল বিএনপির সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে তাদের নেতা নির্বাচন করতে পেরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

বিএনপি সূত্র জানায়, ইউনিয়নের চারটি ওয়ার্ডের জন্য চারটি ভোটকেন্দ্রে নারী ও পুরুষ মিলে মোট ৩ হাজার ৩০০ ভোটার ভোট দিয়ে তাদের নেতা নির্বাচন করেছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ হাজার ১০০ আর নারী ভোটার ছিল ১ হাজার ২০০।

জেলা বিএনপির দাবি, ‘তৃণমূল পর্যায়ে ভোটের মাধ্যমে দলীয় নেতা নির্বাচনের ঘটনা এটাই প্রথম। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ভোটের মাধ্যমে তৃণমূল নেতা নির্বাচন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে জেলার পাঁচ উপজেলার সব ওয়ার্ডে এভাবে নেতা নির্বাচিত হবে।’

লালমনিরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একেএম মমিনুল হক বলেন, ‘বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল। এখানে পুরোপুরি স্বচ্ছতার ভিত্তিতে তৃণমূলের নেতা নির্বাচনের জন্য সরাসরি ভোটগ্রহণ পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি এটি ছিল সাধারণ মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার একটি প্রতীকী প্রতিবাদ’।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত