গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নোবেল পুরস্কার না পাওয়া দুঃখজনক। তিনি হেলসিঙ্কি গেলেন, যদি অসলো পর্যন্ত যেতেন তাহলে হয়তো নোবেল পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যেতো।’
রবিবার ৩ সংগঠনের (রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, ভাসানী অনুসারী পরিষদ এবং গণসংহতি আন্দোলন) উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে “নাগরিকদের ভোটাধিকার ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন কোন পথে” শীর্ষক এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য নোবেল পুরস্কারের শর্টলিস্টে ছিলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু দেশে আইনের শাসন নেই। ২০ লাখ মামলা বিচারের অপেক্ষায় আছে। খালেদা জিয়ার জামিন হয় না আমাদের বিচার প্রক্রিয়ায়। যে টাকা চুরি হয় নাই তার জন্য খালেদা জিয়া আটক আছেন।’
তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের সাহায্য করার জন্য জাতিসংঘের সাথে চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তি তো আরও ১৫দিন আগেই হতে পারত। হয়নি ভারতের চক্রান্তে। বাংলাদেশের কিছু আমলা আছে, জনগণের টাকায় চলে কিন্তু কাজ করে ভারতের হুকুমে।’
বিদেশি গোয়েন্দা বাহিনীর তৎপরতা ক্রমে বাংলাদেশে সক্রিয় হয়ে উঠছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।’
দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘রাস্তায় নামতে হবে। সংবিধান পরিবর্তন করতে হবে। সংবিধান কোরআন শরিফ নয় যে এর পরিবর্তন করা যাবে না।’
জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, মুক্তিযোদ্ধা নইম জাহাঙ্গীর, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সদস্য অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) আবুল হাসান রুবেল ও ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্য ব্যারিস্টার সাদিয়া আরমান। আলোচনা অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বাবলু। সভা পরিচালনা করেন গণসংহতি আন্দোলনের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জুলহাসনাইন বাবু।
