ঠাকুরগাঁওয়ের আলোচিত মিলি হত্যাকাণ্ডের ভিসেরা রিপোর্টে আগুনে পুড়িয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রকাশ করা হয়েছে।
সোমবার সিআইডি’র মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুর রজ্জাক খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, মিলি চক্রবর্তীর মৃত্যুর কারণ আমাদের কাছে স্পষ্ট। ভিসেরা রিপোর্ট আমাদের হাতে এসেছে। আমরা সে অনুযায়ী তদন্ত পরিচালনা করব। এর আগে এ ঘটনায় মিলির ছেলে অর্ক রায় রাহুল ও ছাত্রদলের সাবেক নেতা আমিনুল ইসলাম সোহাগকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তারা জেলহাজতে আছেন।
উল্লেখ্য, গত ৮ জুলাই সকালে শহরের মোহাম্মদ আলী সড়কের পাশে, নিজ বাসার গলি থেকে মিলি চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে শহর জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। এর দুই দিন পর ১০ জুলাই পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করে।
গত ৫ আগস্ট মামলাটি সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। মিলি চক্রবর্তীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপ্রীতিকর মেসেজ নিয়ে ঝামেলার বিষয় প্রকাশ হলে এতে মিলির ছেলে ও আমিনুল ইসলাম সোহাগের জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। মেসেজের জেরেই মিলিকে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।
