দক্ষিণ আফ্রিকায় কভিড সংক্রমণ শুক্রবার নাগাদ ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে। ওমিক্রনের কারণে সংক্রমণ বাড়ছে এবং শুক্রবার সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড করেছে দেশটি।
সরকারি হিসেবে বলা হয়েছে, শুক্রবার ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৬ হাজার ৫৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ লাখ চার হাজার ২০৩ জনে।
সরকার পরিচালিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর কমিউনিকেবল ডিজিজ (এনএইসিডি) দৈনিক সর্বশেষ তথ্যে জানিয়েছে, আক্রান্তের এ সংখ্যায় সংক্রমণের হার দাঁড়ায় ২৪.৩ শতাংশে।
শুক্রবার সবচেয়ে বেশি লোক করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৭২ শতাংশের আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে গুয়েটং প্রদেশে। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ৫৫৩ জন। তবে গত সপ্তাহে ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ার পর জোহানেসবার্গ হয়ে উঠছে করোনা সংক্রমণের মূল কেন্দ্র।
এদিকে সংক্রমণ বাড়লেও মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক কম। শুক্রবারের ২৫ জনসহ দেশটিতে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৯ হাজার ৯৪৪ জনে।
এ দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসকেরা শুক্রবার জানিয়েছেন যে, দেশ জুড়ে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়ার পরে হাসপাতালে ছোট শিশুদের ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে। তবে ওমিক্রন শুধু শিশুদের জন্যই ভয়ঙ্কর কিনা তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
ওমিক্রনের হানায় দক্ষিণ আফ্রিকায় এখন করোনা সংক্রমণের চতুর্থ তরঙ্গ চলছে। দেশটির আগের তিনটি তরঙ্গের তুলনায় এবার সংক্রমণ অনেক বেশি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
ওমিক্রন প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের কেন্দ্র করে ছড়ায় এবং তারপরে অল্পবয়স্কদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। যাদের কাছ থেকে ওমিক্রন বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ছে।
বিজ্ঞানী এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, ১০-১৪ বছর বয়সী শিশুদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংখ্যা বাড়ছে। আর পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের হাসপাতালে ভর্তি বেশি বাড়ছে।
