নোয়াখালীতে সংগঠিত এক হত্যার ঘটনার এক সপ্তাহ পর প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। এক সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।
সেখানে বলা হয়, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার মেরীপাড়া গ্রামের ওমান প্রবাসী মাহবুব হোসেন (২৮) করোনা মহামারির সময়ে দেশে ফিরে আসেন। এরপর থেকেই তার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয় স্থানীয় সাদ্দাম হোসেনের (২২)। কিছুদিন আগে একটি মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে তাদের বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়।
এর জের ধরেই ২৮ নভেম্বর সকাল ১০টার দিকে ধন্যপুর এলাকায় মাহবুবকে ফোনে ডেকে নিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান সাদ্দাম।
ওই ঘটনায় মৃতের ভাই সাইফুল ইসলাম (২৩) সোনাইমুড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডে সিআইডি ছায়া তদন্ত শুরু করে। নানা সূত্র বিশ্লেষণ করে প্রধান আসামি সাদ্দাম হোসেনকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার চারতি নোয়াহাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি দোষ স্বীকার করেছে বলে জানায় আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।
সাদ্দাম জানান, তার সঙ্গে ভিকটিম মাহবুবের পূর্ব শত্রুতা ছিল। মাহবুব ওমান থেকে ফিরে আসার পর সাদ্দামের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝামেলা সৃষ্টি হয়। কিছুদিন আগে একটি মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে প্রচণ্ড বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। এরপরই সে মাহবুবকে হত্যার পরিকল্পনা করে সাদ্দাম।
পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৮ নভেম্বর সকাল ১০টার দিকে মাহবুবকে ডেকে নিয়ে ধারালো দা দিয়ে মাথায় ও গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে দ্রুত পালিয়ে যায় সাদ্দাম।
