সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার

মনোরঞ্জনের পা হারানোয় দোষ কার, তদন্ত করে ব্যবস্থা

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:৪৩ এএম

রাজধানীর বনানীতে গাড়িচাপায় পুলিশ সার্জেন্ট মহুয়া হাজংয়ের বাবা অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য মনোরঞ্জন হাজংয়ের পা হারানোর ঘটনায় কার দোষ ছিল, তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার হাফিজ আক্তার। গতকাল রবিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

হাফিজ আক্তার বলেন, ‘সার্জেন্ট মহুয়া হাজংয়ের বিষয়টি আমিও জানি। এ ঘটনায় আমাদের গুলশান বিভাগের বনানী থানায় একটি মামলা হয়েছে, তদন্ত চলছে।’

সার্জেন্ট মহুয়ার মামলায় আসামির নাম না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নাম না দেওয়ার কারণ কী, ঘটনা কী ঘটেছে, সেসব বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কার দোষ সেটি খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গত ২ ডিসেম্বর মধ্যরাতে রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে একটি বিএমডব্লিউ গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন মনোরঞ্জন হাজং। দুই দফা অস্ত্রোপচারে তার ডান পা হাঁটুর নিচ থেকে কেটে ফেলতে হয়। বর্তমানে তিনি বারডেম হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।

মনোরঞ্জনের একমাত্র মেয়ে মহুয়া হাজং ডিএমপির সার্জেন্ট। তিনি সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, তার বাবাকে ধাক্কা দেওয়া লাল রঙের বিএমডব্লিউ গাড়িটির চালকের বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে বনানী থানা তা নেয়নি। তবে সমালোচনার মুখে ১৬ ডিসেম্বর সড়ক পরিবহন আইনের ৯৮ ও ১০৫ ধারায় মহুয়ার করা মামলা রেকর্ড করে বনানী থানা। সেখানে গাড়ির চালকের নাম উল্লেখ করতে চাইলেও পুলিশ তা নেয়নি। কিন্তু ১৪ ডিসেম্বর সেই গাড়ির চালক সাঈদ হাসান বনানী থানায় একটি জিডি করেন। সেখানে দুর্ঘটনার জন্য উল্টোপথে থাকা মোটরসাইকেল আরোহী মনোরঞ্জন হাজংকেই দায়ী করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাফিজ আক্তার বলেন, ‘পুলিশ সার্জেন্ট মহুয়া আমাদেরই একজন সদস্য। যেহেতু মামলা হয়েছে, তাই সাধারণ মানুষ যেভাবে বিচার পান, তার বিষয়টি সেভাবে দেখা হবে। তার মামলার বিষয়ে গুলশান বিভাগ কাজ করছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত