টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ভাড়া করা একটি কক্ষে অফিস করলেও পরিষদের মূল কার্যক্রম চলছে পাশের ঝুঁকিপূর্ণ একটি পরিত্যক্ত ভবনে। যেকোনো সময় ভবনটির ছাদ ধসে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্বাধীনতার প্রায় ১০ বছর আগে ইউনিয়ন পরিষদের জন্য বহুরিয়া মৌজায় ২৫ শতাংশ জায়গার ওপর তিন কক্ষ বিশিষ্ট একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। যেখানে চেয়ারম্যান, সচিব, হিসাব সহকারী, উদ্যোক্তারা কাজ করে থাকেন। এছাড়া সভা অনুষ্ঠানের জন্য একটি মিলনায়তনও রয়েছে। প্রায় দেড় যুগ আগে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
দেখা গেছে, প্রায় ৬০ বছর আগে নির্মিত ভবনটির ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে রড বেরিয়ে এসেছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ইউপি সচিব ও উদ্যোক্তারা অফিসের কার্যক্রম চালাচ্ছেন। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে দীর্ঘসময় ধরে সচিব, গ্রাম পুলিশ ও উদ্যোক্তারা ইউনিয়নবাসীকে সেবা দিচ্ছেন।
অপরদিকে, ইউপি চেয়ারম্যান পাশের একটি ভবনে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে এমন অবস্থা চললেও ভবনটি সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
ছোট গবড়া গ্রামের আতর আলী, বহুরিয়া গ্রামের আব্দুল মজিদ, বাতাসি বেগম, আসমা, কোটবহুরিয়া গ্রামের ইউসুফ আলী, দিঘুলিয়া গ্রামের মানিক মজুমদার, চান্দুলিয়া গ্রামের শাহ্ আলম, ভ্যানচালক নাজিম উদ্দিন জানান, পাকিস্তান আমলের তৈরি ভবনে ইউনিয়ন পরিষদের কাজকর্ম চালানো হচ্ছে। ভবনটির বর্তমানে এমন অবস্থা হয়েছেÑ যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
ইউপি চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ বলেন, নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আমি ওই ভবনে বসি না। পাশেই একটি কক্ষ ভাড়া নেওয়া হয়েছে।
