নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচন পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ।
নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির সংলাপে অংশ নিয়ে রবিবার রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে আলোচনায় এ প্রস্তাব দেয় দলটি। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিনিধি দল এই সংলাপে অংশ নেয়।
সংলাপ শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এক ব্রিফিংয়ে বলেন, দীর্ঘ এক ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতিকে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচন পরিচালনার পাশাপাশি আইন প্রণয়নসহ ছয়টি প্রস্তাবনা দেন।
তারা এই মুহূর্তে আইন প্রণয়ন সম্ভব না হলে অনুসন্ধান (সার্চ) কমিটির পরিবর্তে ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন দেশপ্রেমিক মানুষদের নিয়ে দেশের জনগণের আস্থাভাজন ও গ্রহণযোগ্য ৫ সদস্যের একটি নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রস্তাব করেন। যেখানে অন্তত দুজন নারী সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। তারা নির্বাচন কমিশনকে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো মতামত না নিয়ে কোনো নির্বাচনী বিধিবিধান প্রণয়ন না করার প্রস্তাব করেন।
প্রতিনিধিদল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচন পরিচালনার প্রস্তাব করেন। তারা বলেন, নির্বাচন কমিশনের দক্ষতার চেয়েও সরকারের নিরপেক্ষতা বেশি জরুরি।
বঙ্গভবনে তাদের স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা অপরিহার্য।
রাষ্ট্রপ্রধান তাদেরকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান।
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস সচিব জানান, রাষ্ট্রপতি এখন পর্যন্ত ১৭টি রাজনৈতিক দলের সাথে ১২ দিনের পৃথক পৃথকভাবে বৈঠক করেছেন।
সূত্র: বাসস।
