কক্সবাজারের মহেশখালী চ্যানেলে জেলের ছদ্মবেশ নিয়ে অভিযান চালিয়ে ডাকাতিকালে চিহ্নিত ৬ জলদস্যুকে আটক করেছে র্যাব-১৫। তাদের কাছ থেকে ৩টি দেশীয় অস্ত্র ও ১১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম সরকার।
বঙ্গোপসাগরের মহেশখালী চ্যানেলে শুক্রবার রাতে ডাকাতির খবর পেয়ে জেলে সেজে তাদের ধাওয়া করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি। এরপর সাড়ে ৩ ঘণ্টা সাগরে অভিযান চালিয়ে সোনাদিয়া চ্যানেল থেকে রাত সাড়ে ১২টার দিকে অস্ত্র-গুলিসহ জলদস্যুদের আটক করা হয়।
আটক নেজাম উদ্দিন (২২), মো. সাকিল (২৪), মো. সাজ্জাদ (৩৫), মো. সুজন (২৪), মো. মানিক (৩২) ও ওমর ফারুক (২১)— সবাই মহেশখালীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
কক্সবাজারের র্যাব অধিনায়ক খায়রুল ইসলাম বলেন, চকরিয়া থেকে জলদস্যুরা এসে অবস্থান নেয় মহেশখালী উপকূলে। তারপর জেলে সেজে দস্যুতার জন্য ট্রলার নিয়ে নেমে পড়ে বঙ্গোপসাগরের মহেশখালী চ্যানেলে। এ খবর পেয়ে স্পিড বোট নিয়ে অভিযানে নামে র্যাব। দীর্ঘ সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর অভিযানে চালিয়ে ধাওয়া করে আটক করা হয় চিহ্নিত ৬ দস্যুকে।
আটক দস্যুদের কাছ থেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া সাগরে কারা কারা জল দস্যুতা করছে এমন গ্রুপেরও তথ্য র্যাবের কাছে রয়েছে। এ সব গ্রুপকে আইন আওতায় আনতে জলে ও স্থলে অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানান র্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম সরকার।
এর আগে গত ডিসেম্বরে মহেশখালী চ্যানেলে জেলে সেজে ৪টি মাছ ধরার ট্রলারে গুলিবর্ষণ, জেলেদের ওপর হামলা ও লুটপাট চালায় জলদস্যুদের একটি গ্রুপ। এ সময় দুই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়, আহত হয় মোট ১৫ জেলে।
